সুকুমার সরকার, ঢাকা: মৌলবাদ ও হিংসার দলাদলি, সংখ্যালঘু নির্যাতনে মেতে থাকা বাংলাদেশের সঙ্গে দিল্লির কূটনৈতিক টানাপোড়েন চরম আকার নিয়েছে। এই ডামাডোলের মাঝেই শনিবার বিএনপির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মা। সাক্ষাতের কথা স্বীকার করলেও আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে স্পষ্টভাবে কিছুই জানা যায়নি। তবে খালেদা পুত্রের সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের এই সাক্ষাৎ নিছক সৌজন্যমূলক নয়, এর নেপথ্যে গূঢ় কূটনীতি থাকতে পারে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্ট অনুযায়ী, শনিবার বিকালে ঢাকার গুলশনে দলের চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে বৈঠক হয় তারেক ও প্রণয় ভার্মার। বৈঠক চলাকালীন সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির ও আরও এক নেতা। দীর্ঘক্ষণ ধরেই বৈঠক চলে দুই জনের। অনুমান করা হচ্ছে, জটিলতা কাটিয়ে দুই দেশ যাতে ফের বন্ধুত্বের রাস্তায় হাঁটে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, কয়েক ঘণ্টা আগে তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত। এরপর প্রণয় ভার্মার এই সাক্ষাৎ প্রশ্ন তুলছে।
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপি চেয়ারম্যানের শূন্য পদে বসেন তাঁর পুত্র তারেক রহমান। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে বিএনপি কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটি তাঁকে এই পদে বসায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম প্রধান মুখ তিনি। তারেক বিএনপির চেয়ারম্যান হওয়ার পরই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিন দেশের রাষ্ট্রদূত। এই তালিকায় ছিল পাকিস্তানও। এরপর শনিবার তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মা।
