shono
Advertisement
Yuva Sathi

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে 'না', এবার বেকার ভাতার ফর্ম জমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ বিজেপি নেত্রীর

আরামবাগ টাউনের বিজেপি মহিলা মোর্চার আহ্বায়ক সুদেষ্ণা অধিকারী মহান্ত নামে ওই নেত্রীর কথায়, 'বেকার ভাতার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সাধুবাদ প্রাপ্য।'
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 03:10 PM Feb 21, 2026Updated: 03:10 PM Feb 21, 2026

সরকারি সুযোগসুবিধা থেকে যাতে রাজ্যের একজন মানুষও বঞ্চিত না হন, সেদিকে কড়া নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সুবাদে সরকারি প্রকল্প পেতে আবেদন জানান রাজনৈতিক দলমত নির্বিশেষে সকলেই। দিন কয়েক আগে রাজ্যের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে নয়া প্রকল্প চালু করেছে মমতা সরকার। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক-যুবতীতে বেকার ভাতা 'যুব সাথী' দেওয়া হবে। এই মুহূর্তে তার আবেদন চলছে। সেই আবেদনেরই ফর্ম জমা দিতে দেখা গেল হুগলির এক বিজেপি নেত্রীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্পের প্রশংসা করে তিনি নিজেই বেকার ভাতা পাওয়ার আবেদন করলেন। তাঁর এই কাজ রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেবে না? এই প্রশ্নের জবাবে নেত্রীর মন্তব্য, ‘‘এটা রাজ্য সরকারি প্রকল্প। সকলের অধিকার আছে। এর মধ্যে তো রাজনৈতিক বিতর্কের অবকাশ নেই।''

Advertisement

আরামবাগের বিজেপি মহিলা মোর্চার কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মহান্ত। ৩৭ বছরের নেত্রী নিজে বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। স্বামী বেকার। ফলে সংসার চালানোর ভার তাঁর একার কাঁধে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারে 'যুব সাথী' প্রকল্পের ১৫০০ টাকাও বড় সহায়ক হতে পারে। আর সেই কারণেই সুদেষ্ণা ওই সুবিধা পেতে আবেদন জানিয়েছেন। হুগলির গোঘাট ২ নং ব্লক অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলআপ করলেন। যদিও দাবি করলেন, তিনি ছেলের জন্য ওই ভাতার সুবিধা পেতে আবেদন জানালেন। কিন্তু ফর্মে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, গ্রাহক হিসেবে সুদেষ্ণা অধিকারী মোহান্তর নাম রয়েছে।

আরামবাগের বিজেপি মহিলা মোর্চার কনভেনার সুদেষ্ণা অধিকারী মহান্ত। ৩৭ বছরের নেত্রী নিজে বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন। স্বামী বেকার। ফলে সংসার চালানোর ভার তাঁর একার কাঁধে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারে 'যুব সাথী' প্রকল্পের ১৫০০ টাকাও বড় সহায়ক হতে পারে। আর সেই কারণেই সুদেষ্ণা ওই সুবিধা পেতে আবেদন জানিয়েছেন। হুগলির গোঘাট ২ নং ব্লক অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলআপ করলেন।

ভোটের আগে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রীর এহেন কাণ্ডে রাজনৈতিক বিতর্কের যথেষ্ট অবকাশ তৈরি হয়েছে। কিন্তু নেত্রীর দাবি,‘‘এর আগে রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা আমি নিইনি। কিন্তু বেকার ভাতা চালু হওয়ার পর যা জানতে পারলাম, তাতে মনে হচ্ছে যে এই প্রকল্প বেকার যুবকদের জন্য বেশ ভালো। মুখ্যমন্ত্রীকে এর জন্য সাধুবাদ জানাতেই হবে। আমার পরামর্শ, রাজ্যের সব বেকাররা এই সুবিধা পেতে আবেদন করুন।'' এনিয়ে আরামবাগের টাউন তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফল্য। দলমত নির্বিশেষে ওঁর মস্তিষ্কপ্রসূত প্রকল্পগুলির সুবিধা পান রাজ্যের সব মানুষ। যদিও বিজেপি কনভেনারের মতো পদাধিকারীর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করা নিয়ে মুখে কুলুপ স্থানীয় নেতৃত্বের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement