Advertisement

শীতলকুচিতে ‘গো ব্যাক’স্লোগানের মুখে রাজ্যপাল, উত্তেজনা এলাকায়

08:56 PM May 13, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোট চলাকালীন রক্তাক্ত হয়েছিল শীতলকুচি (Sitalkuchi)।  সিআরপিএফের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল চারজনের। সেই ক্ষত এখনও টাটকা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার শীতলকুচি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাকে লক্ষ্য করে উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত সঙ্গে সঙ্গেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। 

Advertisement

পূর্বসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে কোচবিহার যান রাজ্যপাল। কোচবিহার বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেন।  রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার কথা বলেন। বলেন, “রাজ্যের এই পরিস্থিতি দেখে আমি চুপচাপ রাজভবনে বসে থাকতে পারব না। আমি কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় যাব। যাঁরা আতঙ্কে অসমে পালিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের ফিরিয়ে আনব। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে এই জায়গাকে কলঙ্কিত হতে দেখতে পারব না।” এরপরই সড়কপথে মাথাভাঙা, শীতলকুচি, সিতাই ও দিনহাটার হিংসা কবলিত এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।  কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসের শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ধনকড়কে কাছে পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই কান্নায় ভেঙে পড়ে নির্যাতিত পরিবারগুলি। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবারই কলকাতা ফিরবেন জগদীপ ধনকড়। আগামিকাল তিনি যাবেন অসমে। 

[আরও পড়ুন: অধিকাংশ ট্রেন না চলায় খাঁ খাঁ স্টেশন চত্বর, খাবারের অভাবে অসুস্থ বহু ভবঘুরে]

উল্লেখ্য, এই জেলা সফর নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল। ধনকড় প্রথা ভেঙে এই সফর করছেন, এমনটা দাবি করে বুধবার তাঁকে একটি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি ছিল, প্রথা অনুযায়ী, রাজ্যপাল যদি রাজ্যের কোনও জেলায় যান, সেক্ষেত্রে তা সরকারকে জানাতে হয়। তিনি যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার প্রশাসনকেও তা জানানো আবশ্যক। কিন্তু রাজ্যপাল তা করেননি। এদিন ওই চিঠির পালটা দিয়েছেন রাজ্যপাল।

দেখুন ভিডিও:

\

[আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা: পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবার রাজ্যে জাতীয় তফসিলি কমিশনের প্রতিনিধিরা]

Advertisement
Next