গতকাল, শুক্রবার উচ্চ মাধ্যমিকের ইংরাজি পরীক্ষা ছিল। আজ, শনিবার পরীক্ষা নেই। পরীক্ষার্থী ছাত্রী ও তার প্রেমিক ঠিক করেছিল প্রেম দিবসের দিনই বিয়ের নোটিস দাখিল করা হবে। সেজন্য এদিন তারা দু'জনে রেজিস্ট্রি অফিসে যায়। সেখানেই ঘটে বিপত্তি। তাদের সঙ্গে থাকা স্কুটার থেকে মেলে আগ্নেয়াস্ত্র! পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গোলাপবাগ মোড়ে।
জানা গিয়েছে ওই যুবকের বাড়ি বাঁকুড়ার পাত্রসায়র থানা এলাকার বীজপুরে। ওই তরুণীর বাড়ি বর্ধমান শহরের ২ নম্বর শাঁখারিপুকুর এলাকায়। স্থানীয় একটি স্কুলের এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সে। বেশ কিছুদিন ধরেই দু'জনের মধ্যে সম্পর্ক। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার জন্য বর্ধমানেও যাতায়াত করে ওই প্রেমিক। বিয়ের সিদ্ধান্তও নেয় ওই যুগল। সেই মতো দু'জনেই ঠিক করে আজ, শনিবার প্রেমের এই বিশেষ দিনেই বিয়ের নোটিস দাখিল করা হোক। সেই মতো একটি স্কুটারে সওয়ারি হয়ে দু'জনেই হাজির হয়েছিল ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিসে।
এদিকে পুলিশের কাছেও গোপন সূত্রে একটি খবর এসেছিল। বর্ধমান শহরে একটি স্কুটারের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র লুকনো আছে। সেই স্কুটির নম্বরও পুলিশ জানতে পারে। সূত্র মারফত খবর পেয়ে পুলিশ ওই রেজিস্ট্রি অফিসে যায়। ওই স্কুটারটি তল্লাশি করতেই বেরিয়ে পড়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র!
এদিকে পুলিশের কাছেও গোপন সূত্রে একটি খবর এসেছিল। বর্ধমান শহরে একটি স্কুটারের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র লুকনো আছে। সেই স্কুটির নম্বরও পুলিশ জানতে পারে। সূত্র মারফত খবর পেয়ে পুলিশ ওই রেজিস্ট্রি অফিসে যায়। ওই স্কুটারটি তল্লাশি করতেই বেরিয়ে পড়ে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র! ঘটনা দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ওই প্রেমিক-প্রেমিকা দাবি করে, ওই বন্দুক কেউ ষড়যন্ত্র করে গাড়ির ভিতর রেখেছে। ওই বন্দুক তাদের নয়। কোনও খারাপ কাজের সঙ্গেও দু'জনে জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দু'জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে খবর।
ওই যুবক সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে। সেই যুবক বিয়ের রেজিস্ট্রির কাজে সঙ্গে কেন ওই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাবে? তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। এদিকে, ওই ছাত্রীর দিদিমার দাবি, পরিবারে ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে শত্রুতা রয়েছে। তাদের একজনের এই বিয়েতে প্রবল আপত্তি রয়েছে। তাদের কেউ ষড়যন্ত্র করে 'মাস্টার কি' ব্যবহার করে ডিকিতে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছে ফাঁসানোর জন্য? পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে।
