জেল থেকে বেরিয়েই কাকাকে খুন 'গুণধর' ভাইপোর! ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। ধৃত ব্যক্তির নাম সৈকত প্রামাণিক। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল ইছাপুর গোয়ালাপাড়া এলাকায়। ঘটনা জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষজন।অভিযুক্তের কড়া শাস্তির দাবিতে সরব হন এলাকার মানুষজন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কেন এই খুনের ঘটনা তা জানতে ধৃতকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে।
মৃত ওই ব্যক্তির নাম কানাই প্রামাণিক। সম্পর্কে ধৃত সৈকত প্রামাণিকের কাকা। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাতে কানাই প্রামাণিককে বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্ত। এমনকী মাথায় ভারি কিছু দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও অভিযোগ। কানাইবাবুর চিৎকার চেঁচামেচি শুনে পরিবার এবং স্থানীয় মানুষজনকে ছুটে আসেন। স্থানীয় বাসিন্দারাই একেবারেই রক্তাক্ত অবস্থায় কানাই প্রামাণিককে উদ্ধার করে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। আজ মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয় কানাই প্রামাণিকের।
নোয়াপাড়া থানা।
এরপরেই অভিযুক্ত সৈকত প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মৃতের এক আত্মীয় বুলটি সাঁধুখা বলেন, ''অভিযুক্ত সৈকত ঘরের মধ্যেই বিভিন্ন ধরনের নেশা করত। সোমবার রাতে অশান্তি হয়। এরপরেই এই ঘটনা।'' ঘটনায় অভিযুক্তের সৈকতের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বুলটি। তাঁর কথায়, ছোট থেকেই এহেন কাজের সঙ্গে যুক্ত। কড়া শাস্তি যাতে হয় সেই দাবিই জানাচ্ছি। জানা গিয়েছে, গত তিন বছর আগে আরও পরিবারের এক সদস্য নব প্রামাণিককে খুন করার অভিযোগ ছিল সৈকতের বিরুদ্ধে। তিনিও সম্পর্কে ধৃত ওই যুবকের কাকা। সম্প্রতি জেল থেকে ছাড়া পান। সেখান থেকে বেরিয়েই পরিবারের আরও এক কাকাকে খুনের অভিযোগ। যা নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই ঘটনা। শুধু তাই নয়, সম্পত্তি সংক্রান্ত কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
