তালসারিতে সমুদ্রে তলিয়ে মারা গিয়েছেন টলিউড অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই আকস্মিক ঘটনায় শোকের ছায়া বাংলার অভিনয়, শিল্পী-সাহিত্য মহলে। ওই ঘটনার দু'দিন পরেই দিঘার সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছিলেন দাদু ও নাতনি! শেষপর্যন্ত বরাতজোরে দু'জনে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। নুলিয়ারা তাঁদের জল থেকে উদ্ধার করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওই দু'জন কিছুটা সুস্থ হয়েছেন বলে খবর।
জানা গিয়েছে, সপরিবারে দিঘা (Digha) বেড়াতে গিয়েছিলেন তাঁরা। বেলিয়াতোড় থেকে ওল্ড দিঘায় ঘুরতে গিয়েছিল ওই পরিবার। আজ, বুধবার সকালে নাতনিকে নিয়ে দাদু ওল্ড দিঘার ক্ষণিকা ঘাটে গিয়েছিলেন। সমুদ্র শান্ত থাকায় দু'জনেই সমুদ্রের জলে গা ভেজানোর জন্য নেমেছিলেন। কিছু সময়ের মধ্যেই ঘটে বিপত্তি। হঠাৎ করেই সমুদ্রে জোয়ারের জল বেড়ে যায়। জলের চাপ সহ্য করতে না পেরে দু'জনেই পড়ে যান। স্রোতের টানে দাদু ও নাতনি ভেসে যেতে থাকেন!
সমুদ্রের পাড়ে থাকা লোকজনরা সেই ঘটনা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন। সৈকতে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন নুলিয়া। বিপদ বুঝে দ্রুত তাঁরা সমুদ্রে নামেন। এদিকে উত্তাল ঢেউয়ে ততক্ষণে বেশ কিছু দূর ভেসে গিয়েছেন। দড়ি নিয়ে নুলিয়ারা তাঁদের কাছে পৌঁছন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে সৈকতে নিয়ে আসা হয়। ঢেউয়ের ধাক্কায় ততক্ষণে দু'জনেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাঁদের দিঘা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর দাদু ও নাতনি সুস্থ হয়েছেন বলে খবর। জোয়ারের সময় যেন উত্তাল সমুদ্রে পর্যটকরা না নামেন, সেই আবেদন প্রশাসনের তরফে রাখা হয়েছে। সৈকতে আরও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে বলে খবর।
