বাবাকে খুন করার হুমকি দিয়ে কয়েক মাস ধরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ! কাঠগড়ায় এলাকারই এক যুবক। যার পরিণতি হল ভয়ংকর। অপমানে-লজ্জায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী ছাত্রী! ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানার পরাশপুর গ্রামে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার বাসিন্দা টিঙ্কু মণ্ডল ওই ছাত্রীর উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছিল। কাউকে জানালে বাবাকে খুন করার হুমকি দিচ্ছিল সে। এসবের মাঝে মঙ্গলবার বাড়িতে ছাত্রী একা ছিল। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ফের তার উপর চড়াও হয় টিঙ্কু। ঘটনাচক্রে সেই সময় বাড়িতে ফেরেন নিগৃহীতার বাবা। মেয়ের চিৎকার শুনে গোয়ালঘরে ছুটে যান তিনি। তাঁকে দেখেই চম্পট দেয় অভিযু্ক্ত। গোটা ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়ে ওই ছাত্রী।
নির্যাতিতার বাবার দাবি, মঙ্গলবারই রাতে ইঁদুর মারা বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তাঁর মেয়ে। তড়িঘড়ি তাকে সারাংপুর গ্রামে এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। বরাতজোড়ে প্রাণে বেঁচে যায় সে। বাড়ি ফিরে শনিবার সকলের অনুপস্থিতির সুযোগে ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। মৃত ছাত্রীর বাবা জানান, মেয়ে তাঁকে সব কথা জানিয়ে গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অত্যাচার, বাবার সামনে শ্লীলতাহানি মানতে না পেরেই এই চরম পদক্ষেপ বলেই জানিয়েছেন তিনি। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে সরব মৃতার পরিবার।
