বাবরি মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি। তারপর দিনই 'বাবরি যাত্রা' শুরু করছেন তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক, জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। রাজ্যের একাধিক জায়গায় এই বাবরি যাত্রা যাবে বলে খবর। প্রাথমিকভাবে নদিয়া থেকে উত্তর দিনাজপুর রুটে যাত্রা হবে। আজ, রবিবার এই বিষয়ে মুর্শিদাবাদেই সাংবাদিক সম্মেলন করে এই যাত্রার কথা জানানো হয়েছে। বাংলার উত্তর-দক্ষিণকে জুড়ে এই বাবরি যাত্রায় কী বার্তা দিতে চাইছেন হুমায়ুন কবীর?
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর তাদের হারাতে মরিয়া তিনি। সেই আবহে বাংলায় বাবরি মসজিদ নির্মাণ ভোটবাক্সে কতটা প্রভাব ফেলবে? সেই নিয়ে চর্চা চলছে। আগেই বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছিল। জানানো হয়েছিল, আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে মসজিদ তৈরির কাজ শুরু হবে। সেই আবহে এবার বাবরি যাত্রার কথা ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন।
জানা গিয়েছে, আগামী ১১ তারিখ কোরান পাঠের পর শুরু হবে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ। পরদিন অর্থাৎ ১২ তারিখ শুরু হবে বাবরি যাত্রা। ১০০টি গাড়ি নিয়ে নদিয়ার পলাশি থেকে ওই যাত্রা শুরু হবে। প্রত্যেকটি গাড়িতে চালক-সহ ছ'জন থাকবেন। অর্থাৎ মোট ৬০০ জন এই যাত্রায় সামিল হবেন। প্রথমে পলাশি থেকে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার পর্যন্ত মোট ২৬৫ কিমি যাত্রা হবে বলে খবর। কিন্তু এই বাবরি যাত্রার কারণ কী? হুমায়ুন জানিয়েছেন, বেশ কিছু মানুষ এই বাবরি মসজিদ নির্মাণ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। সেই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ও মানুষকে এই নির্মাণ সম্পর্কে জানানোই এই যাত্রার লক্ষ্য। হুমায়ুনের কথায়, "এর আগেও একজন অপপ্রচার করেছিলেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন। আবার করলে ব্যর্থ হবেন।" উত্তরের সঙ্গে দক্ষিণকে জোড়ার পরিকল্পনার মাধ্যমে হুমায়ুন ভোটের প্রচারও শুরু করে দিচ্ছেন, এমনই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
