প্রায় আট মাস আত্মগোপন করেও শেষরক্ষা হল না। কালীগঞ্জ উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন বোমাবাজিতে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত। সোমবার গভীর রাতে কোনা এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ফলে তামান্না খাতুন খুনের (Tamanna Khatun Murder Case) ঘটনায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১১।
২০২৫ সালের ২৩ জুন, কালীগঞ্জ (Kaliganj) উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন দুপুরে বোমাবাজিতে মৃত্যু হয় মোলান্দি গ্রামের ৯ বছরের নাবালিকা তামান্না খাতুনের (Tamanna Khatun)। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা তোলপাড় পড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোরতম শাস্তির জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। পুলিশও দ্রুততার সঙ্গে পদক্ষেপ করে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বোমাবাজির ঘটনায় অভিযুক্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আরও ৭ জন গ্রেপ্তার হন। কিন্তু এই ঘটনায় মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সকল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছিলেন মৃতার মা।
এসবের মাঝেই সম্প্রতি মেয়ে হারানোর যন্ত্রণার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তামান্নার মা সাবিনা খাতুন। তবে বরাতজোরে প্রাণ বেঁচে গিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই মেয়ের সুবিচারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তার কয়েকদিনের মধ্যেই গ্রেপ্তার হল তামান্না খুনে অভিযুক্ত আরও একজন। ধৃতের নাম সাবিরুল সেখ। বোমাবাজির ঘটনার পর থেকেই এলাকাছাড়া ছিল সে।
