বাংলায় এসআইআর শুনানি (SIR Hearing) নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি চলছে! শুনানির ডাক পেয়ে বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলেও খবর। এবার এসআইআর নোটিস পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন ভারতের জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলার সৈয়দ রহিম নবির বাবা। ৯৫ বছরের বৃদ্ধ অশীথিপর সৈয়দ মাহবুবন নবিকে (Rahim Nabi) একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে খবর। সেখানেই তিনি এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রহিম নবিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। তিনি সেই শুনানিতে গিয়েওছিলেন। বাবার অসুস্থতার জন্য নির্বাচন কমিশনকেও দায়ী করেছেন রহিম। একরাশ ক্ষোভ ধরা পড়েছে তাঁর গলায়। জাতীয় দলের প্রাক্তন ফুটবলারের বৃদ্ধ বাবার অসুস্থতার খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
রাজ্যে 'এসআইআর আতঙ্কে' বহু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। শুনানিতে গিয়েও বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দিল্লি গিয়ে এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। কমিশনকে 'বয়কটে'র ডাকও দিয়েছেন। বিজেপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আঁতাঁত আছে, সেই অভিযোগও তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই আবহে এবার জানা গেল অসুস্থ রহিম নবির বৃদ্ধ বাবা। জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানির জন্য হুগলির পাণ্ডুয়ার বাড়িতে নোটিস আসে। অভিযোগ, ওই নোটিস পাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন বৃদ্ধ।
রহিম নবি বলেন, "আমি ভারতের হয়ে ফুটবল খেলেছি। তবুও নির্বাচন কমিশন আমাকে ছাড়েনি। এবার আমার ৯৫ বছরের বাবাকেও প্রমাণ করতে হবে তিনি ভারতীয় নাগরিক কী না। বাবার এই অসুস্থতার জন্য সরাসরি নির্বাচন কমিশন দায়ী।"
৯৫ বছর বয়সী সৈয়দ মাহবুবন নবি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার বাসিন্দা। তারপরেও কীভাবে তাঁর নামে এসআইআর শুনানির নোটিস আসে! সেই বিষয় শুনেই হতবাক হয়ে পড়েন পরিবারের অন্যান্যরা। পরে ওই বৃদ্ধ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাঁকে পাণ্ডুয়ারই একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তিনি এই মুহূর্তে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনের প্রতি ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন রহিম নবি। কলকাতা থেকে তিনি এদিন বাবাকে দেখতে পাণ্ডুয়ায় পৌঁছন। হাসপাতালের বাইরেই বলেন, "আমি ভারতের হয়ে ফুটবল খেলেছি। তবুও নির্বাচন কমিশন আমাকে ছাড়েনি। এবার আমার ৯৫ বছরের বাবাকেও প্রমাণ করতে হবে তিনি ভারতীয় নাগরিক কী না। বাবার এই অসুস্থতার জন্য সরাসরি নির্বাচন কমিশন দায়ী।"
প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই এসআইআর শুনানিতে ডাক পড়েছিল রহিমেরও। তিনি শুনানির লাইনেও দাঁড়িয়েছিলেন। সেসময় তিনি তেমন কোনও মন্তব্য করেননি। ঘটনা জানাজানি হতে এলাকাতেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোড়।
