shono
Advertisement
Santosh Trophy

অব্যবস্থার প্রতিবাদের পর সন্তোষে বাংলার ম্যাচ পিছল ফেডারেশন, 'শুভবুদ্ধির উদয়', খোঁচা আইএফএ'র

সন্তোষে মাঠের লড়াই জিতেছে। কিন্তু মাঠের বাইরেও কম লড়াই লড়তে হচ্ছে না রবি হাঁসদাদের। প্রায় ১২ ঘণ্টা বাস জার্নি করতে হয়েছে। পরপর ম্যাচ, রিকভারির সময় পর্যন্ত নেই। সব মিলিয়ে এবার অসমে আয়োজিত টুর্নামেন্টে চরম বিশৃঙ্খলা।
Published By: Arpan DasPosted: 02:01 PM Feb 01, 2026Updated: 02:06 PM Feb 01, 2026

সন্তোষ ট্রফিতে চরম অব্যবস্থার শিকার বাংলা। গ্রুপ পর্বের ম্যাচের পর ১২ ঘণ্টা বাস জার্নি করতে হয়েছিল সঞ্জয় সেনের ছেলেদের। তারপরই কল্যাণ চৌবে পরিচালিত সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে কড়া চিঠি পাঠিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচের সময় বদলানোর দাবি জানিয়েছিল বাংলার ফুটবল সংস্থা। সেই দাবি মেনে নিল এআইএফএফ।

Advertisement

সন্তোষ ট্রফির গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলা। এবারও লিগ শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছে সঞ্জয় সেনের ছেলেরা। ২ ফেব্রুয়ারি কোয়ার্টার ফাইনালে নামার কথা ছিল রবি হাঁসদাদের। আইএফএ-র চিঠির পর সেই ম্যাচ এখন ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর দু'টো থেকে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতা কমিটি থেকে চিঠি পাঠিয়ে সেটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ম্যাচের সূচি বদলানোর পরই আইএফএ সভাপতি অনির্বাণ দত্ত ফেডারেশনকে খোঁচা দিয়েছেন, "অবশেষে ফেডারেশনের শুভবুদ্ধির উদয় হল।" কোয়ার্টারে বাংলার প্রতিপক্ষ সার্ভিসেস।

সন্তোষে মাঠের লড়াই জিতলেও মাঠের বাইরে কম লড়াই লড়তে হচ্ছে না রবি হাঁসদাদের। প্রায় ১২ ঘণ্টা বাস জার্নি করতে হয়েছে। পরপর ম্যাচ, রিকভারির সময় পর্যন্ত নেই। সব মিলিয়ে এবার অসমে আয়োজিত টুর্নামেন্টে চরম বিশৃঙ্খলা। ‘স্থানীয় টুর্নামেন্টও এর চেয়ে ভালোভাবে আয়োজিত হয়’, প্রবল ক্ষোভের সঙ্গে কল্যাণ চৌবের সর্বভারতীয় ফেডারেশনকে চিঠি দিয়েছিল বাংলার ফুটবল সংস্থা। আইএফএ’র আবেদন ছিল, বাংলার কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। সেটা মেনে নিল এআইএফএফ।

সন্তোষ ট্রফির সূচি

শুক্রবার বাংলার ম্যাচ ছিল অসমের বিরুদ্ধে। সেদিন ডিব্রুগড়ে অমিত শাহর একাধিক কর্মসূচি যেমন ছিল, তেমনই ছিল মিসিং জনজাতির উৎসব। সেই কারণে ১২ ঘণ্টা খাবার বা জল ছাড়া বাস জার্নি করতে হয় বাংলার ফুটবলারদের। ফেরার সময় সন্ধ্যা ৫.২৫ মিনিটে ঢেকুয়াখানা স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে শনিবার ভোর ৪.৪৪ মিনিটে টিম হোটেলে পৌঁছয় বাংলা দল। অর্থাৎ আড়াই ঘণ্টার পথ যেতে সময় লাগে প্রায় ১২ ঘণ্টা। উৎসব বা রাজনৈতিক সভা তো আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। তাহলে কেন সূচি পরিবর্তনের কথা ভাবল না ফেডারেশন? এই সময়ে কোনও খাবার বা জলের ব্যবস্থাও ছিল না ফুটবলারদের জন্য।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement