shono
Advertisement
TMC

আমফান-ইয়াসের ত্রাণ আত্মসাৎ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার! বস্তা বস্তা ত্রিপল-শাড়ি উদ্ধার সন্দেশখালিতে

ঘূর্ণিঝড় আমফান-যশের সময় পর্যাপ্ত সরকারি ত্রাণ মেলেনি বলে অভিযোগ। দুর্গতদের দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে প্রবল কষ্টে। সেই ত্রাণের ত্রিপল, জামাপাকড় পাওয়া গেল স্কুলের হস্টেলের বন্ধ ঘরে। স্থানীয় বাসিন্দারাই ওই ত্রাণ সামগ্রী এদিন স্কুল থেকে বার করেন।
Published By: Suhrid DasPosted: 05:32 PM May 30, 2026Updated: 05:32 PM May 30, 2026

ঘূর্ণিঝড় আমফান-ইয়াসের সময় পর্যাপ্ত সরকারি ত্রাণ মেলেনি বলে অভিযোগ। দুর্গতদের দিনের পর দিন কাটাতে হয়েছে প্রবল কষ্টে। সেই ত্রাণের ত্রিপল, জামাপাকড় পাওয়া গেল স্কুলের হস্টেলের বন্ধ ঘরে। স্থানীয় বাসিন্দারাই ওই ত্রাণ সামগ্রী এদিন স্কুল থেকে বার করেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি এলাকায়। শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা ওই ত্রাণ আত্মসাৎ করে সরিয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনা সামনে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান একসময় ছিল সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা। তাঁরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতা সত্যজ্যোতি সান্যাল। শাহজাহান জেলে। এদিকে রাজ্যে পালাবদলে তৃণমূল কংগ্রেসও ধরাশায়ী। বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল নেতাদের নাম দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। এবার বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি দু'নম্বর ব্লকের খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতে উত্তেজনা দেখা গেল। আজ, শনিবার হাটগাছা হস্টেলের একটি ঘর থেকে মিলল বিশাল পরিমাণে বস্তা বস্তা ত্রাণ। অভিযোগ, ঘূর্ণিঝড় আমফান-যশের সময় এলাকায় প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ত্রাণ শিবির চালু হয়েছিল এলাকায়।

উদ্ধার হওয়া ত্রাণ। নিজস্ব চিত্র

সরকারি তরফে ওইসব এলাকায় ত্রাণ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু বহু মানুষ সেই ত্রাণ পাননি বলে অভিযোগ। ওই এলাকারই একটি হস্টেল রয়েছে। সেই হস্টেলের বন্ধ ঘর থেকেই উদ্ধার হল প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী। অঞ্চল সভাপতি সত্যজ্যোতি সান্যাল-সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব এইসব সামগ্রী আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। কিন্তু এই সত্যজ্যোতি সান্যাল কে? সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহজাহানের একেবারেই ঘনিষ্ঠ এই অঞ্চল সভাপতি। ২০১৬ সালে শেখ শাহজাহান সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেন। তারপর সত্যজ্যোতিও সান্যাল তৃণমূলে যোগ দেন। তারপর ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময় বিরোধীদের উপরে তাণ্ডব চালিয়ে সিপিএম-বিজেপি প্রার্থীদের নমিনেশন জমা দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ।

২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। সেসময়ও এই নেতার বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছিল। এবার ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই এলাকায় দেখা যাচ্ছে না এই তৃণমূল নেতাকে। তাঁকে গ্রেপ্তারির দাবি তোলা হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement