shono
Advertisement
SIR in West Bengal

'বাংলাদেশি' বিতর্কে পদচ্যুত করেছিল তৃণমূল, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকায় নাম সেই লাভলি খাতুনের!

এর আগে খসড়া তালিকাতেও মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের নাম ছিল, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 04:05 PM Mar 01, 2026Updated: 04:05 PM Mar 01, 2026

এসআইআরের 'আজব খেলা'য় যোগ্য, অযোগ্য, বিচারাধীন ভোটার - সবই গোলমাল হয়ে গিয়েছে একলহমায়। নাম বাতিলের তালিকায় এমন কিছু নাম, যা হওয়ার কথা ছিল না। আবার বিচারাধীন বা অমীমাংসিত ভোটারদের নামেও যথেষ্ট চমক। সময় যত এগোচ্ছে, ততই রকমারি বিষয় সামনে আসছে। তবে এসব ছাপিয়ে সবচেয়ে অবাক করা তথ্য প্রকাশ্যে। খসড়া তালিকার পর এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও রয়েছে 'বাংলাদেশি' বিতর্কে পদচ্যুত তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান লাভলি খাতুনের নাম! অথচ বিভিন্ন জেলায় জনপ্রতিনিধি, বিএলও, বিডিও-দের মধ্যে কারও নাম 'বিচারাধীন', কারও নাম 'ডিলিটেড'। চূড়ান্ত তালিকা দেখে চলছে সমালোচনা।

Advertisement

খসড়া তালিকার পর এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও রয়েছে 'বাংলাদেশি' বিতর্কে পদচ্যুত তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান লাভলি খাতুনের নাম! অথচ বিভিন্ন জেলায় জনপ্রতিনিধি, বিএলও, বিডিও-দের মধ্যে কারও নাম 'বিচারাধীন', কারও নাম 'ডিলিটেড'।

হরিশ্চন্দ্রপুরে রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান লাভলি খাতুন তৃণমূলের সদস্য। তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে একাধিক বিতর্ক ওঠে। লাভলি ভারতীয় নন, বাংলাদেশের নাগরিক, পাসপোর্ট ছাড়া ভারতে ঢুকে অবৈধভাবে বসবাস করছেন - এসব অভিযোগে বিরোধীরা প্রশ্ন তোলে, কীভাবে নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চায়েত প্রধানের পদে বসেছেন? তবে বিতর্কের আবহে তৃণমূল তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেয়। এনিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলাও হয়। রাজ্যে এসআইআর শুরু হওয়ার পর গুঞ্জন উঠেছিল যে লাভলির নাম ভোটার তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়ে। কিন্তু গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, লাভলি খাতুনের নাম বাদ যায়নি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকাতেও রয়ে গেল তাঁর নাম।

লাভলির নাগরিকত্ব সংক্রান্ত তথ্য বলছে, ২০১৫ সালে ভারতে লাভলির ভোটার কার্ড ইস্যু হয়। ২০১৮ সালে ইস্যু হয় বার্থ সার্টিফিকেট। আসল নাম নাসিয়া শেখ। নথিতে নাসিয়ার বাবার নাম শেখ মুস্তাফা লেখা হয়। কিন্তু বাবার আসল নাম জামিল বিশ্বাস বলে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এবিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা হলে লাভলি খাতুনের জাতিগত শংসাপত্র ‘জাল’ প্রমাণিত হয়। পরে মহকুমা শাসকের নির্দেশে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল। পদ, জাতিগত শংসাপত্র খোয়ালেও এদেশের নাগরিকত্ব হারাননি লাভলি। শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায়, হরিশ্চন্দ্রপুরের রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা লাভলি খাতুনের নাম জ্বলজ্বল করছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement