এসআইআর ট্রাইব্যুনালের প্রথম নিষ্পত্তি। নথি পরীক্ষার পর সমস্ত জট কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোটার তালিকায় নাম উঠতে চলেছে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মাহাতাব শেখের। রবিবার ট্রাইব্যুনাল তাঁর নথিপত্র দেখে জানিয়ে দিয়েছে, কোনও লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি নেই। আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও কেন নাম উঠল না তালিকায়? এই প্রশ্ন উঠেছে। এরপরই ট্রাইব্যুনাল জানিয়ে দেয়, অবিলম্বে মাহাতাব হোসেনের নাম তুলতে হবে ভোটার তালিকায়। ফরাক্কায় আগামী ২৩ এপ্রিল ভোট। মনোনয়ন পেশের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। তার আগে নামের নিষ্পত্তি না হলে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে পারতেন না। নির্ধারিত সময়ের আগেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।
ট্রাইব্যুনাল মাহাতাবের পেশ করা নথি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির বিষয়টি ধোপে টিকছে না। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তি একই। সংশয়ের অবকাশ নেই। এরপর কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়, রবিবার রাত ৮টার মধ্যে ফরাক্কার তৃণমূল প্রার্থীর নাম অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় তুলতে হবে।
বিচারাধীনদের ভোটারদের নামের নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গড়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সল্টলেকের একটি ভবনে তার কাজকর্ম শুরু হয়েছে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মাহাতাব হোসেন আবেদন করেছিলেন নিজের নামের নিষ্পত্তি চেয়ে। তাঁর আবেদন, আধার কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, সন্তানের জন্ম শংসাপত্রে তাঁর নাম ছিল মাহাতাব শেখ।আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এবং আইনজীবী গোপা বিশ্বাস সওয়াল করেন ট্রাইব্যুনালে। কমিশনের পক্ষে ছিলেন দিব্যা মুরুগেসান।
প্রথমে তাঁর ও বাবার নামে অসঙ্গতি খুঁজে লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। ট্রাইব্যুনাল মাহাতাবের পেশ করা নথি খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির বিষয়টি ধোপে টিকছে না। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে, ওই ব্যক্তি একই। সংশয়ের অবকাশ নেই। এরপর কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়, রবিবার রাত ৮টার মধ্যে ফরাক্কার তৃণমূল প্রার্থীর নাম অতিরিক্ত ভোটার তালিকায় তুলতে হবে। এদিকে, মাহাতাব হোসেনের নাম নিয়ে জট থাকায় ওই কেন্দ্রে 'বিক্ষুব্ধ' তৃণমূল তথা বিদায়ী বিধায়ক মনিরুল হোসেন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এবার তাঁর একটাই রাস্তা - নির্দল প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়া।
