আওয়ামি লিগ বিহীন বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (Bangladesh Election 2026) বড়সড় অভিযোগ তুললেন হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। রাতের অন্ধকারে চুপিচুপি ভোট দিয়ে রিগিং করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামি লিগের (Awami League) অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এনিয়ে দীর্ঘ বিবৃতি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট উল্লেখ, বাংলাদেশ ভোটে বৃহত্তর কারচুপি চলছে। তার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তুলেছেন জয় ও আওয়ামি লিগের অন্যান্য নেতারা। একইসঙ্গে আবারও বাংলাদেশবাসীকে এই ভোট বয়কটের বার্তা দিয়েছে হাসিনার দল। আগেই সোশাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে, 'নো বোট, নো ভোট।'
বাংলাদেশের আওয়ামি লিগের তরফে সজীব ওয়াজেদ জয় বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করুন। এই মর্মে তিনি আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শুধুমাত্র আওয়ামি লিগকে বাদ দিয়ে এই নির্বাচন হচ্ছে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন নয়। এই মুহূর্তে নির্বাচন নিয়ে যা চলছে, তাতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। রাতের আঁধারে চুপিসাড়ে ব্যালট পেপারে ভোট দেওয়া হচ্ছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচনী লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে না গিয়ে আগেভাগেই ভোটে জেতার ছক হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামি লিগের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এনিয়ে দীর্ঘ বিবৃতি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে স্পষ্ট উল্লেখ, বাংলাদেশ ভোটে বৃহত্তর কারচুপি চলছে। তার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তুলেছেন জয় ও আওয়ামি লিগের অন্যান্য নেতারা। একইসঙ্গে আবারও বাংলাদেশবাসীকে এই ভোট বয়কটের বার্তা দিয়েছে হাসিনার দল। আগেই সোশাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে, 'নো বোট, নো ভোট।'
শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচনই নয়, জুলাই সনদ বাস্তবায়িত করতে একইসঙ্গে যে গণভোট চলছে, তা নিয়েও আপত্তির কথা তুলেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এই গণভোটের নামে অতিরিক্ত খরচ আসলে জনতার অর্থ তছরূপ বলে মনে করছেন তিনি। ফেসবুক বিবৃতিতে তিনি সেকথা স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন। জয়ের মতে, এই গণভোট দেশের সংবিধানকে বদলে দেওয়ার ছক। পাকিস্তান সেনার হাত থেকে যে রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম আর প্রাণ বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মুছে দিতে চাইছে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। এতে দেশ স্থিতিশীলতা হারিয়ে ফেলবে বলে আশঙ্কা জয়ের। তিনি বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, এই নির্বাচনের ত্রুটিগুলি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করুন, তবেই অন্ধকারে ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচবে বাংলাদেশ।
