পাঁচ বছরের 'পারফরম্যান্স' ও এলাকা থেকে পাওয়া সমীক্ষা রিপোর্ট দেখে এবার বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) জনা দশেক বিধায়ককে টিকিট না দেওয়ার ভাবনা বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তবে সবটাই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা ভাবনাচিন্তা করছেন। তবে জয়ী আসনের কোনও বিধায়ককে বাদ দিয়ে সেখানে নতুন যাঁকে টিকিট দেওয়া হবে তিনি যাতে জয়ী হন সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে শীর্ষ নেতৃত্বের। তবে কাকে টিকিট দেওয়া হবে না, সেটা এখনই প্রকাশ্যে আনতে নারাজ শীর্ষনেতারা। কারণ, তাতে কোন্দল দেখা দিতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং এই তিন জেলার তিনজন বিধায়কের টিকিট না পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নদিয়া জেলায় দুই বিধায়ক টিকিট নাও পেতে পারেন বলে খবর।
দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং এই তিন জেলার তিনজন বিধায়কের টিকিট না পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। নদিয়া জেলায় দুই বিধায়ক টিকিট নাও পেতে পারেন বলে খবর। পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার পাঁচ বিধায়ককে এবার প্রার্থী নাও করা হতে পারে।
পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলার পাঁচ বিধায়ককে এবার প্রার্থী নাও করা হতে পারে। কাজেই এই মুহূর্তে বিজেপিতে থাকা ৬৫ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৫ জন টিকিট পাচ্ছেনই। ১০ জনের টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে, প্রার্থী বাছাই করতে দলীয় স্তরে যেমন নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নেতৃত্বের মতামত নেওয়া হচ্ছে। তিনটি করে নাম যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রার্থী হওয়ার জন্য সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতাদের ই-মেলেও নেওয়া হচ্ছে আবেদনপত্র। এবার আর পদ্ম প্রতীকে প্রার্থী হচ্ছে ইচ্ছুকদের জন্য 'ড্রপ বক্স' করা হয়নি। কিন্তু পার্টির জেলাস্তরের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সুযোগ পাচ্ছেন না তাঁদের যদি কারও প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে সরাসরি তাঁরা রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতাদের ই-মেলও করছেন।
বিজেপি সূত্রের খবর, ২০২১ সালে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যে ভুল হয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি চাইছে না বঙ্গ বিজেপি। রাজ্য নেতৃত্বের চেয়েও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সে বিষয়ে বেশি সতর্ক।
বিজেপি সূত্রের খবর, ২০২১ সালে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যে ভুল হয়েছিল তার পুনরাবৃত্তি চাইছে না বঙ্গ বিজেপি। রাজ্য নেতৃত্বের চেয়েও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সে বিষয়ে বেশি সতর্ক। কারণ, ২০২১ সালে বিজেপির ভরাডুবির পরে প্রার্থী বাছাই সংক্রান্ত নানা সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন বিজেপির রাজ্য নেতারা। দল হারার পর ক্ষোভের ঝড় উঠেছিল পার্টির মধ্যে। নিশানায় ছিলেন তৎকালীন এক কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। ব্যক্তিগত আলাপ-পরিচিতি বা ঘনিষ্ঠতা কিংবা কোনও প্রভাব কাজে লাগিয়ে কেউ যাতে কোনও আসনে টিকিট জোগাড় করতে না-পারে, সেটা খেয়াল রাখছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। জেলা থেকে আসা নামে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, আবার কারও নাম কেউ সুপারিশ করলে সেই নাম নিচুতলায় পাঠিয়ে মত নেওয়া হচ্ছে।
