মহিলা ভোটকে আরও বেশি করে সংঘটিত করতে হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের অর্থ ইতিমধ্যেই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও বাংলার মহিলাদের জীবনে স্বচ্ছলতা ও উন্নতির জন্য আরও একাধিক প্রকল্প রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মহিলাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন শুরু থেকেই। এবারও বিধানসভা নির্বাচনের আগে গ্রামের মহিলাদের একজোট করতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা ময়দানে নেমে পড়েছেন। বসিরহাটে কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শুরু হল নির্বাচনী প্রচার।
বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা না হলেও রাজনৈতিক প্রচারে কোনও খামতি রাখতে নারাজ শাসক দল। মহিলা ভোটকে সংগঠিত ও সঙ্ঘবদ্ধ করার লক্ষ্যেই বসিরহাট শহরে অভিনব উদ্যোগ নিল তৃণমূল কংগ্রেস। বসিরহাটের টাউন হলে বসল কুইজ প্রতিযোগিতার আসর। বসিরহাট শহর আইএনটিটিইউসির সহ-সভাপতি অলোক সর্দার দীপের ব্যবস্থাপনায় ‘আবার খেলা হবে’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এতে বসিরহাট শহরের ২৩টি ওয়ার্ডের মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মহিলা ভোটাররাও অংশগ্রহণ করেন। রাজনৈতিক বার্তার সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শুভ্রা ঘোষ বসু, ২০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুষা মজুমদার, আইএনটিটিইউসি রাজ্য সম্পাদক কৌশিক দত্ত-সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অলোক সর্দার বলেন, "মহিলারা আজ রাজ্যের উন্নয়নের প্রধান শক্তি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে মহিলাদের সম্মান ও অধিকার দিয়েছেন, তারই বার্তা আমরা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। কুইজের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ এবং তৃণমূল সরকারের ভাবনা সহজভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরা যায়।"
অন্যদিকে শুভ্রা ঘোষ বসু বলেন, “মহিলারা এখন আর নীরব দর্শক নন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বনির্ভরতা—সব ক্ষেত্রেই তারা এগিয়ে এসেছেন। এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে মহিলাদের রাজনৈতিক সচেতনতা যেমন বাড়ে, তেমনই তারা আরও ঐক্যবদ্ধ হন। আগামী দিনে মহিলা ভোটাররাই রাজ্যের ভবিষ্যৎ দিশা নির্ধারণ করবেন।” গোটা অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক প্রচারের পাশাপাশি এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি মহিলা ভোটাররাও। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আগামী দিনেও এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে শহরের মহিলা সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।
