সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের কিছু মাস পরে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন বলিউডের 'ড্রিম গার্ল' হেমা মালিনী। জানালেন অতীতের ভৌতিক অভিজ্ঞতার কথা। কোনও এক সময়ে প্রতিদিন রাতে তাঁকে তাড়া করে বেড়াত নাকি অশরীরী। ঠিক কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে? সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যমে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হেমা জানিয়েছেন এ কথা।
চেন্নাইয়ের বুকে তাঁর বেড়ে ওঠা। পরে অভিনয় জগতে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার জন্য মুম্বইয়ে আসা। শুরুর দিনগুলো সদ্য অভিনয়জীবনে পা রাখা বাকি আর পাঁচজনের মতোই ছিল তাঁর শুরুটাও। তবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি একইসঙ্গে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতার শিকারও হয়েছেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী। ঠিক কী অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছিলেন তিনি?
মুম্বইয়ে কেরিয়ার শুরুর পর এমন একটি বড়িতে থাকতে শুরু করেন হেমা যা ছিল ভূতুড়ে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই নিয়ে হেমা মালিনী বলেন, "প্রতিদিন রাতে আমার মনে হত কেউ আমার গলা টিপে ধরতে আসছে। আমার মা আমার সঙ্গেই শুতেন রাতে। তিনি দেখেছেন আমি ঠিক কতটা অস্থিরভাবে ভয়ে রাত কাটাতাম। যদি ওরকম ঘটনা দু-একবার ঘটত তাহলেও অতটা চিন্তিত হতাম না। কিন্তু দেখলাম ক্রমশ ওই ঘটনা প্রতিদিন রাতেই আমার সঙ্গে ঘটছে। রামকমল মুখোপাধ্যায়ের বই 'হেমা মালিনী: বিয়ন্ড দ্য ড্রিম গার্ল' বইতেও অভিনেত্রী ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর মুম্বইয়ের বুকে ফেলে আসা দিনগুলো। মুম্বইয়ে এসে বান্দ্রার একটি ছোট্ট অ্যাপার্টমেন্টে থাকতেন হেমা। পরে একটি বাংলোয় থাকা শুরু করেন। সেই বাংলোই ছিল ভূতুড়ে।
চেন্নাইয়ের বাড়ির আদলেই মুম্বইয়ে একটি বড়ি চেয়েছিলেন হেমা। মুম্বইয়ে আসার পর বদ্ধ লাগত তাঁর। গাছগাছালি ঘেরা পরিবেশে মন খুলে থাকতে চেয়েছিলেন। তাই ফ্ল্যাটের বদলে তাঁর প্রথম পছন্দ ছিল বাংলো। শোনা যায়, একদিন শুটিং ফ্লোরে থাকাকালীন তাঁর বাবা ফোন করে জানান, মুম্বইয়ে সমুদ্রমুখী একটি ফ্ল্যাটের সন্ধান পেয়েছেন তিনি। কিন্তু হেমা তাঁকে বলেন, 'ফ্ল্যাট নয় বরং চেন্নাইয়ের বাড়ির আদলে কোনও বাংলো খুঁজতে। পরে যদিও মুম্বইয়ে একটি বিলাসবহুল বাংলো কিনেছিলএন হেমা।
