সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টলিউড থেকে বলিউড সর্বত্র একটা সময় দাপিয়ে বেড়িয়েছেন 'ধন্যি মেয়ে' জয়া ভাদুড়ী (Jaya)। পরবর্তীতে বচ্চনঘরনি হওয়ার পর ভাদুড়ী থেকে হয়েছিলেন বচ্চন (Bachchan)। 'ধন্যি মেয়ে' থেকে 'মহানগর'-এর মতো বাংলা ছবি কিংবা 'অনামিকা', 'অভিমান', 'জঞ্জির'-সহ একাধিক ছবিতে বরাবর নজর কেড়েছেন তিনি। তবে তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি আরও যা নজর কেড়েছে তা হল তাঁর একঢাল কালো লম্বা চুল আর দু'টি কাজল কালো চোখ।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়ের বদলে সংসারেই বেশি মন দিয়েছেন তিনি। বদলেছে তাঁর জীবন। সেই একঢাল চুল এখন এসেছে কাঁধ অবধি। একঢাল কালো চুলের বদলে মাথায় তাঁর এখন রূপোলি রেখা। তবে চেহারায় বয়সের সঙ্গে সঙ্গে নানা পরিবর্তন এলেও কোনও কৃত্রিমতার আশ্রয় নেননি তিনি। যদিও এই মুহূর্তে অভিনেত্রীদের মধ্যে 'বোটক্স' ও নানা কৃত্রিমতার ভীষণ চাহিদা। সম্প্রতি এই নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে জয়া ভাদুড়ী বলেন, "আমি আমার শরীরে বয়সের সঙ্গে আসা প্রতিটা পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহণ করেছি। আমার চেহারায় আমি কখনও কোনও কৃত্রিম জিনিস ব্যবহার করিনি আর আগামীতেও করব না। আমার মুখের প্রতিটা বলিরেখা ও মাথার প্রতিটা সাদা হয়ে যাওয়া চুল নিয়ে আমি ভীষণই গর্বিত।"
বলে রাখা ভালো, মাঝেমাঝেই পাপারাজ্জিদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান বচ্চনঘরনি। সাম্প্রতিককালে পাপারাজ্জিদের দিকে কুমন্তব্য করেন জয়া। বলেন, “কারা এরা? এর নাম মিডিয়া? এরা সাংবাদিক? আমাকে সাংবাদিক ঠিক কেমন হন তা বোঝাতে আসবেন না। আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি একজন শিক্ষিত, মার্জিত সাংবাদিক কীভাবে নিজেকে তুলে ধরেন। আমার বাবা নিজে একজন সাংবাদিক ছিলেন। এই যে এরা একটা ফোন হাতে নিয়ে চলে এসেছে। এঁদের কী যোগ্যতা রয়েছে? এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী? নোংরা জামাকাপড় পরে, যেমন ভাবে ইচ্ছা চলে এসেছে। নিজেদের কী মনে করে এরা? হাতে একটা ফোন আছে মানেই কি সব করতে পারেন এনারা? সাংবাদিকতা মানে তারকাদের জমায়েতে ফোন হাতে পৌঁছে যাওয়া নয়। শুধু তারকাদের ছবি মুঠোফোনে বন্দি করলেই নিজেকে সাংবাদিক বলা যায় না। তার জন্য পড়াশোনার প্রয়োজন।” জয়ার ঐ মন্তব্যের পর রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছিল।
