আসমুদ্র হিমাচল তো বটেই, গোটা বিশ্বের বলিউড ভক্তদের কাছে কুমার শানুর (Kumar Sanu) গানের আবেদন আজও গগনচুম্বী। ফলে তাঁর অনুরাগীদের সংখ্যাতেও ভাটা পড়েনি। এবার সেই 'অতি ভক্তি'র কারণেই উদ্বিগ্ন হতে হল গায়ককে। জানা গিয়েছে, তাঁরই এক ভক্ত তিনবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন! আর এমন চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে অদ্ভুত কারণ! খবর পেয়েই দ্রুত ওই ব্যক্তির মনোবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেন তিনি। জানতেই চাইলেন, এখন কেমন আছেন তাঁর অনুরাগী?
ঠিক কী ঘটেছিল? গত ১২ জানুয়ারি নাগাদ বিহারের ছাপরার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ট্রেনে বাড়ি ফিরছিলেন নাগপুর থেকে। সেখানে তিনি কাজ করতেন। বাড়ি ফেরার পথে আচমকাই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে দাবি। তিনি ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে পড়তে চাইলেও বাকিদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যান। জানা গিয়েছে, পরে জব্বলপুর স্টেশনের শৌচাগারে বসে কবজিতে ব্লেড চালিয়ে দেন তিনি। এমনকী গলাও কেটে ফেলতে চান। তবে মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করানোয় সেক্ষেত্রেও তিনি প্রাণে বাঁচেন। এখানেই শেষ নয়। হাসপাতালের দ্বিতীয় তল থেকেও নাকি তিনি ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এক্ষেত্রেও তাঁকে বাঁচানো গিয়েছে।
ওই ব্যক্তি কুমার শানুর অন্ধ ভক্ত। কিন্তু সম্প্রতি তিনি সোশাল মিডিয়ায় অন্য গায়কদের গান শুনছিলেন। তা থেকেই আচমকা নাকি তাঁর মনে হতে থাকে, শানুর ভক্ত হয়ে এমন কাজ করা আসলে 'বিশ্বাসঘাতকতা'! আর এর 'শাস্তি' হিসেবে তাঁকে মেরে ফেলতে পারেন অন্য শানু-ভক্তরা!
কিন্তু কেন এতবার নিজেকে শেষ করে ফেলতে চাইছেন তিনি? জানা গিয়েছে, এর নেপথ্যে রয়েছে আশ্চর্য এক কারণ। আসলে ওই ব্যক্তি কুমার শানুর অন্ধ ভক্ত। কিন্তু সম্প্রতি তিনি সোশাল মিডিয়ায় অন্য গায়কদের গান শুনছিলেন। তা থেকেই আচমকা নাকি তাঁর মনে হতে থাকে, শানুর ভক্ত হয়ে এমন কাজ করা আসলে 'বিশ্বাসঘাতকতা'! আর এর 'শাস্তি' হিসেবে তাঁকে মেরে ফেলতে পারেন অন্য শানু-ভক্তরা! এই মুহূর্তে মনোবিদের চিকিৎসায় রয়েছেন তিনি।
এমন ঘটনার কথা জানতে পেরে চমকে উঠেছেন শানু। উদ্বিগ্ন গায়ক দ্রুত খোঁজ নেন ভক্তের। যোগাযোগ করেন ওই ব্যক্তির যিনি চিকিৎসা করছেন, সেই মনোবিদের সঙ্গে। জানতে চান, ''উনি এখন ভালো আছেন তো? কোথায় আছেন?'' পরে তিনি জানতে পারেন জব্বলপুর থেকে পাটনা নিয়ে যাওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। এরপর ওই ব্যক্তির বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন কুমার শানু। জানান, ''আমি সত্যিই অত্যন্ত দুঃখিত এমন এক খবর পেয়েছ। নিজেও সন্তানের বাবা হয়ে এমন কাজ কেন করতে গেলেন উনি? ওঁর দ্রুত আরোগ্যের কামনা করি।''
