সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহম্মদ শামি। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মতো মেগা টুর্নামেন্টগুলিতে ভারতের জার্সি পরে ঝুড়ি ঝুড়ি উইকেট পেয়েছেন। কিন্তু জাতীয় দলের তারকা পেসারকেও এসআইআরের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার পরেও কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে শামির ভোটাধিকার নিয়ে? বিতর্কের মধ্যে মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।
জানা গিয়েছে, বর্তমানে রাসবিহারী বিধানসভার অন্তর্ভুক্ত কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার শামি। সেখানকার ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত রয়েছে তারকা পেসারের নাম। কিন্তু গত সোমবার এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয় শামিকে। আপাতত শামি বাংলার হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি খেলছেন। রাজকোটে ম্যাচ খেলছে বাংলা। ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দলের সঙ্গে রাজকোটেই থাকতে হবে শামিকে। ফলে সোমবার শুনানিতে উপস্থিত থাকতে পারেননি তিনি।
শামির পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার শুনানিতে থাকতে পারবেন না তিনি। আগামী ৯ থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি সময় পাবেন শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার জন্য। বিজয় হাজারে ট্রফির পরের রাউন্ডে উঠলে ১২ জানুয়ারি থেকে ফের দলের সঙ্গে যোগ দিতে হবে শামিকে। তাই মাঝের সময়টুকুতে তিনি হাজিরা দিতে চেয়েছেন। কিন্তু শামিকে কেন ডাকা হল, কী কারণে প্রশ্ন উঠছে তাঁর ভোটাধিকার নিয়ে, সেসব জানা যায়নি।
মঙ্গলবার তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও কমিশনকে তোপ দাগেন এই ইস্যুতে। বলেন, "দেশের মুখ উজ্জ্বল করা ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকে নোটিস দিয়েছে। এগুলো কি ষড়যন্ত্র নয়?” তারপর বুধবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে কমিশন। এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, 'শামিকে শুনানিতে ডাকা ঘিরে নানা ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। আসলে এসআইআর ফর্মের লিঙ্কেজ কলামটি পূরণ করেননি তিনি। সেকারণেই অন্যান্য ভোটারদের মতোই তলব করা হয়েছে শামিকেও।' উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে থাকা পরিবারের সদস্যদের নাম উল্লেখ করতে হয় লিঙ্কেজ কলামে। শামির ফর্মে সেই তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কমিশন। একই সমস্যা রয়েছে তৃণমূলের তারকা সাংসদ দেবের ফর্মেও।
