shono
Advertisement
Lungi Ngidi

মাত্র ১১ মিনিটে বাঁচল এনগিডির প্রাণ! দিল্লির ভরা ট্রাফিকে 'নায়ক' কোহলি-গম্ভীরদের প্রাক্তন সতীর্থ

পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলার সময় মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার। দিল্লির ভরা ট্রাফিকে সঞ্জয় সিংয়ের বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রাণ বেঁচেছে লুঙ্গি এনগিডির। একসময় সঞ্জয় খেলেছেন বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে।
Published By: Arpan DasPosted: 11:51 AM Apr 28, 2026Updated: 11:51 AM Apr 28, 2026

হতে পারতেন ক্রিকেটার। কিন্তু এখন তিনি দিল্লি পুলিশের এসিপি। তাঁর নাম সঞ্জয় সিং। একসময় খেলেছেন বিরাট কোহলি ও গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে। দিল্লির ভরা ট্রাফিকে তাঁর বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রাণ বেঁচেছে লুঙ্গি এনগিডির। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলার সময় মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার।

Advertisement

মিড অফে ফিল্ডিং করছিলেন এনগিডি। ক্যাচ ধরার সময় মাটিতে পড়ে যান। মাথা সোজা মাটিতে গিয়ে পড়ে। মাথায় ও কাঁধে আঘাত লাগে। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে, তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। ৬টা ১৬ নাগাদ স্টেডিয়াম থেকে অ্যাম্বুল্যান্স বেরোয়। আর ৬টা ২৭-এ রাজিন্দর নগরের হাসপাতালে পৌঁছয়। সময় লাগে মাত্র ১১ মিনিট।

কীভাবে? নেপথ্যে সঞ্জয় সিংয়ের বুদ্ধিমত্তা। সেদিন স্টেডিয়ামেই কর্তব্যরত ছিলেন দিল্লি পুলিশের এসিপি। অ্যাম্বুল্যান্সের চালক পরামর্শ দেন, গুগল ম্যাপ দেখে যেতে। কিন্তু দিল্লির রাস্তা হাতের তালুর মতো চেনেন সঞ্জয়। তিনি বলছেন, "আমি জানি সন্ধ্যা ৬টার সময় রাস্তায় যানজট থাকবে। গুগল ম্যাপ সেটা বুঝতে পারবে না। তাই আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী অন্য রাস্তা নিই। যেটার দূরত্ব বেশি, কিন্তু রাস্তা ফাঁকা থাকবে। আমি কন্ট্রোল রুমকে সেটা জানিয়ে দিই।"

দ্রুত ৬০ জন পুলিশের সহযোগিতায় 'সবুজ করিডর' তৈরি করা দেওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছতেও অসুবিধা হয়নি। সেখানে এনগিডির স্ক্যান ও অন্যান্য পরীক্ষা হয়। রাতেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রোটিয়া পেসার এখন সুস্থ আছেন। তবে যেহেতু মাথায় চোট লেগেছে, তাই অন্তত দু'টো ম্যাচ তাঁকে বিশ্রাম নিতে হবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement