একের পর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ। কোনওটায় ২৬৫ রান তাড়া করে দল জিতছে। কোনওটায় ১৫৫ রান তাড়া করাও সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু একটা বিষয়ে অত্যন্ত অখুশি সুনীল গাভাসকর। ম্যাচের সময় চলে যাচ্ছে ৪ ঘণ্টার উপর। মাঠের মধ্যে প্রচুর বাড়তি লোক ঘুরে বেড়াচ্ছে। এগুলো ম্যাচের ক্ষতি করছে। তাই বিসিসিআইকে চিঠি লিখলেন গাভাসকর।
সাধারণত আইপিএলের ম্যাচ হয় তিন ঘণ্টায়। কিন্তু এবারের আইপিএলে অনেকগুলো ম্যাচ হয়েছে প্রায় ৪ ঘণ্টায়। যা দর্শকদের ধৈর্যচ্যুতি ঘটাচ্ছে। স্লো ওভার রেটের সমস্যা মেটাতে বোর্ড অধিনায়কদের আর্থিক জরিমানা করছে। এমনকী তাঁদের উপর নিষেধাজ্ঞাও নেমে আসছে। কিন্তু তাতেও সমাধান পাওয়া যানি। এবারই যেমন আরসিবি বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ম্যাচ হয়েছে ৪ ঘণ্টা ২২ মিনিটে।
এর একটা কারণ খুঁজে পেয়েছেন গাভাসকর। তাঁর বক্তব্য, ম্যাচের বিভিন্ন বিরতিতে প্রচুর লোক মাঠে ঢুকে পড়েন। সেটা মাঠের 'পবিত্রতা' নষ্টের সঙ্গে সময়ও নষ্ট করে। তিনি বলেছেন, "প্রায়শই দেখা যায়, রিজার্ভ খেলোয়াড়রা বাউন্ডারির কাছে থাকা ফিল্ডারকে জলের বোতল দেওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে মাঠে নেমে আসেন। এটা হতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ এর ফলে খেলা চলাকালীন, এমনকী ডেলিভারির মাঝেও, মাঠে ১১ জনের বেশি খেলোয়াড় থেকে যায়। স্ট্র্যাটেজিক টাইম-আউটের সময়েও প্রায়শই মাঠে প্রায় আধ ডজন লোককে দেখা যায়। এটা বাড়াবাড়ি। জল বহনকারী দুজন রিজার্ভ খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফের দুজন সদস্য ছাড়া আর কাউকেই মাঠে নামার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।"
তিনি আরও বলছেন, "আমি যদি পিচ রিপোর্ট বা কোনও টিভি শো না করি, তবে আমি খুব কমই মাঠে পা রাখি। আশা করি, বিসিসিআইও চাইবে মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে যেন নির্দিষ্ট সীমা থাকে। দয়া করে খেলার মাঠের পবিত্রতা বজায় রাখুন।" তাহলে কী করা উচিত? গাভাসকরের পরামর্শ, যেহেতু সব ব্যাটার ইতিমধ্যেই ডাগআউটে আছেন, তাই মাঠে প্রবেশের সময় দুই মিনিটের বদলে এক মিনিট করা যেতে পারে। এরপরও যদি কোনও ব্যাটার মাঠে নামতে দেরি করেন, তাহলে দু-একবার সতর্ক করার পর পেনাল্টি রান দেওয়া উচিত।"
