ম্যাচ জেতার পর প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করার নতুন 'ট্রেন্ড' চালু করেছেন শুভমান গিল। চেন্নাই সুপার কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পর এবার পাঞ্জাব কিংস। গুজরাট টাইটান্স অধিনায়কের 'পোস্ট-ম্যাচ টিজার' আবারও শিরোনামে। পাঞ্জাবকে হারিয়ে তাদেরও খোঁচা দিতে ছাড়লেন না গুজরাট টাইটান্স অধিনায়ক।
পাঞ্জাব কিংসকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে গুজরাট। ম্যাচের পরই ওয়াশিংটন সুন্দর এবং সাই সুদর্শনকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন গিল। ছবির ভঙ্গি ছিল পাঞ্জাব কিংসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি পরিচিত স্টাইলের অনুকরণ। সেখানে দেখা যায়, 'জাং-ফাইভ' বা কাবাডি স্টাইল সেলিব্রেশন। তাঁরা দুই হাত দিয়ে নিজের উরুতে চাপড় মেরে এই সেলিব্রেশন করেন। এর ক্যাপশনে লেখা, 'বাস জিতনা হ্যায়। আভা দে।' আভা দে হল গুজরাটি শব্দবন্ধ। অর্থাৎ কেবল জিততেই হবে। এগিয়ে আসো।' মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এই পোস্ট। এই 'পোস্ট-ম্যাচ ব্যান্টার'ই এখন চর্চার কেন্দ্রে।
এমনটা অবশ্য নতুন নয়। চলতি মরশুমে বড় জয়ের পর গিলের 'ইঙ্গিতপূর্ণ' পোস্টে আগেই নজর কেড়েছিল। চেন্নাইকে হারিয়ে বিমানে ফেরার পথে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটা ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেনন গুজরাট অধিনায়ক। দেখা যায়, বিমানের আসনে বসা গিলের হাতে একটি হলুদ হুইসেল। ছবিটির ক্যাপশনে লেখেন, ‘নন্দ্রি চেন্নাই’ (ধন্যবাদ, চেন্নাই)। সেখান থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। ক্রিকেটপ্রেমীরা এই বাঁশিটিকে চেনেন। চেন্নাইয়ে খেলা থাকলে গোটা গ্যালারিতে হলুদ জার্সি পরে এই বাঁশি বাজিয়ে দলকে উদ্বুদ্ধ করেন সিএসকে সমর্থকরা।
এরপর আরসিবি-কে হারিয়ে সোশাল মিডিয়ায় গুজরাট অধিনায়কের পোস্ট ঘিরে শুরু হয় চর্চা। ম্যাচ শেষে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে সতীর্থদের প্রশংসা করেন গিল। সেখানে তিনি লেখেন, ‘প্লে হোল্ড জেসন হোল্ডার। টিম আজ বোল্ড পারফরম্যান্স করেছে’। উল্লেখ্য, আরসিবি’র স্লোগান ‘প্লে বোল্ড’। অনেকেই এই পোস্টকে আরসিবি’র ‘বোল্ড’ ট্যাগলাইনের প্রতি পরোক্ষ কটাক্ষ হিসাবেও ব্যাখ্যা করছেন। একই সঙ্গে পোস্টে বিরাট কোহলির একটি ছবিও দেখা যায়, যা আরও জল্পনা বাড়িয়ে দেয়। এবার পাঞ্জাবকে হারিয়েও একই ধারা বজায় রাখলেন শুভমান গিল। এক নেটিজেন লেখেন, 'গিল জানে কীভাবে মাঠে আর অনলাইনে, দুই জায়গাতেই খেলতে হয়।' কারওর কথায়, ‘সমর্থকরা দলে দ্বাদশ ব্যক্তি। তাঁদের ভাবাবেগে কখনওই আঘাত করা উচিত নয়।’
