গুজরাটের বিরুদ্ধে বড় রান করার পরও একটা সময় চাপে পড়ে গিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এমনকী ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২৯ রানে জয় তুলে নেয় নাইটরা। এই জয়ে স্বস্তি পেলেও বাড়তি উচ্ছ্বাসে ভাসতে নারাজ কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। তাঁর সাফ কথা, এখনও পথ অনেক বাকি, তাই এক ম্যাচ ধরে ধরেই এগোতে চান।
রাহানে বলেন, "খুব ভালো ম্যাচ হয়েছে। ২ পয়েন্ট পেয়ে আমরা খুশি। অ্যালেন, অঙ্গকৃষ এবং গ্রিন যেভাবে ব্যাট করেছে, তা দেখে দারুণ লেগেছে। প্রত্যেকেই জয়ের পিছনে অবদান রেখেছে। প্রত্যেকেই খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে।" প্লেঅফের লড়াই নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি সতর্ক, "আমরা এখনই বেশি দূরের কথা ভাবছি না। একটা ম্যাচ ধরে এগোতে চাই।"
দুরন্ত বোলিংয়ে ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিলেন সৌরভ দুবে। ছবি সংগৃহীত।
গুজরাটের শক্তিশালী বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে কেকেআরের ব্যাটারদের আগ্রাসী মনোভাবও মুগ্ধ করেছে তাঁকে। রাহানের কথায়, "ওদের বোলিং খুবই ভালো। কিন্তু আমাদের ব্যাটাররা আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলেছে। নিজের দক্ষতায় ভরসা থাকলে এমন পারফরম্যান্সেরই দেখা মেলে।" ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ১৯তম ওভার। যেখানে সৌরভ দুবে মাত্র ৫ রান দেন। তাঁকে নিয়ে অধিনায়কের মন্তব্য, "ও ঘরোয়া ক্রিকেটে খুব ভালো করেছে। বিদর্ভ লিগেও ধারাবাহিক ছিল। দলে আসার পর থেকেই কোচেরা ওর প্রতিভা বুঝতে পেরেছিল।"
তাছাড়াও তিনি প্রশংসা করেন সুনীল নারিনের, "দলে ওর মতো বোলার থাকলে অধিনায়কত্ব অনেক সহজ হয়ে যায়। বরুণের কিছুটা সমস্যা থাকলেও ফোলা পা নিয়েও খেলেছে। সেটাও দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।" এই ম্যাচেই কেকেআরের হয়ে ২০০তম ম্যাচ খেললেন নারিন। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও জিতলেন। তবে ব্যক্তিগত মাইলফলক নিয়ে খুব বেশি আবেগপ্রবণ নন তিনি। নারিন বলছেন, "কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য। দলের সবাই খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়েছে। আশা করি এই ছন্দ বজায় রাখতে পারব।" তাঁর সংযোজন, "ঈশ্বর আমাকে প্রতিভা ও ফিটনেস দিয়েছেন বলেই ২০০টা ম্যাচ খেলতে পেরেছি। সামনে আরও অনেক ম্যাচ খেলতে চাই।"
