আইপিএলে এখনও জয়ের স্বাদ পায়নি কেকেআর। পয়েন্ট তালিকায় সকলের নিচে পড়ে রয়েছেন অজিঙ্ক রাহানেরা। মরশুমের প্রথম জয়ের খোঁজে মঙ্গলবার নাইটরা নামছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে। তার আগেই বড়সড় সমস্যায় পড়লেন নাইট তারকা ব্লেসিং মুজারাবানি। জিম্বাবোয়ে পেসারের উপর ঝুলছে শাস্তির খাঁড়া। দু'বছরের জন্য তিনি নির্বাসনের সাজা পেলেন।
বিশ্বকাপে আগুনে ফর্মে ছিলেন জিম্বাবোয়ের পেসার। সুপার এইট পর্যন্ত লড়াইয়ে থাকা জিম্বাবোয়ের হয়ে ১৩টি উইকেট তোলেন। রাজনৈতিক বিতর্কে আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমান বাদ পড়তে সেই জায়গায় দলে নেওয়া হয় মুজারাবানিকে। এমনিতেই চোট আঘাতে বিধ্বস্ত হয়ে নাইটদের পেস আক্রমণ কার্যত নেই বললেই চলে। হর্ষিত রানা-আকাশ দীপের মতো প্রথম সারির পেসাররা নেই নাইট স্কোয়াডে। ফলে নাইটদের পেস ব্যাটারির প্রধান অস্ত্র মুজারাবানিই। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে নামার আগে বড় ধাক্কা খেলেন তিনি।
কেন আচমকা শাস্তি পেতে হল জিম্বাবোয়ের পেসারকে? আসলে আইপিএলে ডাক পাওয়ার আগে পাকিস্তান সুপার লিগে নাম লিখিয়েছিলেন মুজারাবানি। তারপর পিএসএল থেকে নাম প্রত্যাহার করে তিনি চলে আসেন আইপিএল খেলতে। তাতেই রেগে লাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। মুজারাবানির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করে পিসিবি। যেহেতু তিনি চুক্তি ভেঙেছেন, তাই জিম্বাবোয়ের পেসারের শাস্তি হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিলই। সেই আশঙ্কা সত্যি করে মুজারাবানির উপর নেমে এল নিষেধাজ্ঞা।
মঙ্গলবার পিসিবির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মুজারাবানির জন্য আগামী দু'বছর বন্ধ থাকবে আইপিএলের দরজা। তারকা পেসারের বিরুদ্ধে পেশাদারিত্ব ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে পাক বোর্ড। উল্লেখ্য, একই ঘটনা গতবছরও ঘটেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার করবিন বশও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ডাকে পাকিস্তানের দল পেশোয়ার জালমি ছেড়ে ভারতে চলে আসেন। তবে পাক বোর্ড চোখ রাঙিয়েও কোনও ক্ষতি করতে পারেনি। মুজারাবানির ক্ষেত্রেও পাক বোর্ড সুবিধা করতে পারবে না বলেই আশা ক্রিকেটমহলের।
