আট ম্যাচে মাত্র দুই জয়। এর মধ্যে টানা পাঁচ ম্যাচ একেবারে 'লাস্ট বয়' লখনউ সুপার জায়ান্টস। ম্যাচের পর এলএসজি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ জানিয়ে দিলেন, 'ব্রেক দরকার'। এর পরেই প্রশ্ন ওঠে, ম্যাচ হারের হতাশায় কি বিপর্যস্ত ২৭ কোটির তারকা? প্রশ্ন নিরর্থক নয়। কারণ, তাঁর নেতৃত্বও সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়।
লো-স্কোরিং ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে কেকেআর তোলে ১৫৫/৭। কোণঠাসা অবস্থায় দলের হাল ধরেন রিঙ্কু সিং। তাঁর দুরন্ত ৮৩ রানেই সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছায় নাইটরা। জবাবে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতিতে ম্যাচ গড়ায়। ম্যাচের ২০তম ওভারে লখনউয়ের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৭ রান। ওই ওভারে অনভিজ্ঞ কার্তিক ত্যাগীর সাদামাটা বোলিং নাইটদের মুশকিলে ফেলে। চাপের মুহূর্তে দু’টি নো বল-সহ দুর্বল লাইন লেংথে বোলিং খুব সহজেই পড়ে ফেলেছিলেন মহম্মদ শামি। শেষ বলে তিনি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ নিয়ে যান সুপার ওভারে।
সুপার ওভারে ছিল আলাদা টুইস্ট! মাত্র তিন বলেই প্রতিপক্ষের দুই ব্যাটারকে আউট করেন সুনীল নারিন। ২ রানের লক্ষ্য প্রথম বলে চার মেরে পূরণ করেন রিঙ্কু সিং। ম্যাচ শেষে পন্থ বলেন, "আমাদের একটা বিরতি দরকার। একটু সতেজ হয়ে ফিরতে হবে। চাপ তো থাকবেই, কিন্তু উত্তর খুঁজতে হবে নিজেদেরই। নতুন করে ভাবতে হবে। তবে এটা একজন বা দু'জনের বিষয় নয়। পুরো দলকেই দায়িত্ব নিতে হবে। প্রত্যেককে নিজেদের গুরুত্ব বুঝতে হবে।"
সুপার ওভারে ফর্মে না থাকা নিকোলাস পুরানকে পাঠানো নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অমন একটা রুদ্ধশ্বাস মুহূর্তে অফ ফর্মে থাকা ব্যাটারকে কেন পাঠানো হল? পন্থ বলেন, "নিকি পি-কে পাঠানো দলগত সিদ্ধান্ত। ও হয়তো ফর্মে নেই। কিন্তু এ রকম পরিস্থিতিতে আপনার খেলোয়াড়ের উপর ভরসা রাখতেই হয়।" এছাড়া শেষ ওভারে স্পিনার দিগ্বেশ রাঠিকে আক্রমণে আনার সিদ্ধান্তও সমালোচিত হয়। সেই ওভারে টানা চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন রিঙ্কু। পন্থের মন্তব্য, "কখনও কখনও বোলারদের কঠিন ওভার করতেই হয়।"
