আইপিএলে রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স বনাম রয়্যাল। ম্যাচটা বকলমে 'রো-কো'র দ্বৈরথ হিসাবে দেখছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। নজর ছিল আরও একজনের দিকে। তিনি জশপ্রীত বুমরাহ। কারণ মুম্বইয়ের এক নম্বর পেসার আগের ম্যাচগুলিতে উইকেটশূন্য ছিলেন। এ ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হল না। তিনি উইকেট না পাওয়ায় বিড়ম্বনায় পড়ল পাণ্ডিয়া ব্রিগেড। মুম্বই বোলারদের খড়কুটোর উড়িয়ে স্কোর বোর্ডে রানের পাহাড় গড়ে ২৪০ রান তুলল বেঙ্গালুরু।
এদিন ঘরের মাঠে টসে জিতে বেঙ্গালুরুকে ব্যাট করতে পাঠান হার্দিক। কিন্তু কে জানত তাঁর এই সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যাবে! শুরু থেকেই ঝড় তোলেন বেঙ্গালুরু ওপেনার ফিল সল্ট। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছিলেন বিরাট কোহলি। শার্দূল ঠাকুরের বলে সল্ট ফিরলেন ৩৬ বলে ৭৮ রানে। ৬টি চার, ৬টি ছক্কায় সাজানো ইনিংস খেলে তিনি যখন ফিরছেন স্কোর বোর্ডে ১০.৫ ওভারে ১২০ রান। এরপর অধিনায়ক রজত পাতিদার নেমেই ঝড় তুললেন। ততক্ষণে বিরাট কোহলিও হাফসেঞ্চুরি করে ফেলেন।
তবে এদিন অবশ্য ব্যক্তিগত স্কোরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারলেন না। ৫০ রানেই থামল কিংয়ের ইনিংস। ফিরলেন হার্দিকের। তবে বুমরাহকে যেভাবে ব্যবহার করলেন মুম্বই অধিনায়ক, তাতে ফিসফাস শুরু হয়েছে। সেই কোন 'ভোরে' দলের প্রধান বোলিং অস্ত্রকে দু'ওভার করিয়ে রেখে দিলেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরসিবি যখন তুরীয় মেজাজে রান তুলছে, তখন বুমরাহকে অন্তত একটা ওভার করানো উচিত ছিল। সেসবের ধার ধারেননি পাণ্ডিয়া।
যাই হোক, বিরাটের ফেরার পর পাতিদারের ঝড়ও থামে। ২০ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরের পথে হাঁটা লাগান আরসিবি অধিনায়ক। মিচেল স্যান্টনার নিলেন তাঁর উইকেট। শেষের দিকে টিম ডেভিডের ১৬ বলে ৩৪ রানের বিধ্বংসী ব্যাটিং আরসিবিকে নিয়ে যায় ২৪০ রানে। বেঙ্গালুরুর দেওয়া পাহাড় ডিঙিয়ে জয়ের সরণিতে কি ফিরতে পারবে রোহিতের মুম্বই? জানা যাবে কিছু ঘণ্টা পর।
