লখনউ সুপার জায়ান্টস: ১৬৪/৮ (মার্করাম ৩০, প্রসিদ্ধ ৪/২৮,অশোক ২/৩২)
গুজরাট টাইটান্স: ১৬৫/৩ (বাটলার ৬০, শুভমান ৫৬)
৭ উইকেটে জয়ী গুজরাট টাইটান্স
দিনকয়েক আগে ইডেন গার্ডেন্স মাতিয়ে দিয়েছিলেন। হারের কিনারে দাঁড়িয়ে থাকা দলকে একাহাতে ম্যাচ জিতিয়ে রাতারাতি নায়ক হয়ে উঠেছিলেন মুকুল চৌধুরী। ক্রিকেটপ্রেমীদের মুখে মুখে ঘুরছে তাঁর নাম। রবিবারের বিকেলে অবশ্য ঘরের মাঠে ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ল মুকুলের দল লখনউ সুপার জায়ান্টস (LSG)। শুভমান গিল এবং জস বাটলারের দুরন্ত ইনিংসে ম্যাচ গেল গুজরাট টাইটান্সের (GT) ঝুলিতে।
চলতি মরশুমে খুব একটা ভালো ছন্দে নেই গুজরাট। ইডেনে প্রায় হারতে হারতে জিতে যাওয়া লখনউয়েরও ধারাবাহিকতা সেভাবে নেই। তাই রবিবার দুপুরের ম্যাচটা ঋষভ পন্থ এবং শুভমান গিল-দু'জনের দলের পক্ষেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই পয়েন্ট পেলে প্লে অফের দৌড়ে টিকে থাকাটা দুই দলের পক্ষেই সহজ হবে। সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠান গিল। অধিনায়কের সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণরা।
চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রসিদ্ধ। এদিন চার উইকেট তুলে তিনিই ভেঙে দেন লখনউয়ের ব্যাটিং লাইন আপ। এডেন মার্করাম, আয়ুষ বাদোনি, নিকোলাস পুরানের উইকেট তুলে নেন। আউট করেন দুরন্ত ফর্মে থাকা মুকুলকেও। গুজরাট পেসারদের দাপটে পন্থদের ব্যাটিং একেবারে গুঁড়িয়ে যায়। মার্করামের ৩০ রানের ইনিংস ছাড়া কেউ ২০র গণ্ডি পেরতে পারেননি। এমনকি ইম্প্যাক্ট প্লেয়ারকেও নামিয়ে দিতে বাধ্য হয় লখনউ শিবির। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৬৪ রান তোলেন মিচেল মার্শরা।
রান তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লে'তেই ঝড় তোলেন গিল। উলটো দিকে সাই সুদর্শন আউট হয়ে গেলেও গুজরাটের রান তোলার গতি কমেনি। গিলের সঙ্গী হয়ে আসা বাটলারও ঝোড়ো ব্যাটিং করেন। ৮৪ রানের জুটি গড়েন দু'জনে। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে আউট হন শুভমান। পরের ওভারে ৩৭ বলে ৬০ রান করে বাটলার আউট হতে সাময়িকভাবে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। তবে ওয়াশিংটন সুন্দর এবং রাহুল তেওয়াটিয়ার ৩০ রানের ছোট্ট পার্টনারশিপে ম্যাচ জিতে নিল গুজরাট।
