শীত আসতেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মন খারাপ? তেল মাখছেন, নামী কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন, এমনকী মাস গেলে পার্লারে স্পা— তাও চুলের রুক্ষ ভাব যাচ্ছে না। ফ্রিজি হেয়ারের সমস্যায় এখন নাজেহাল আট থেকে আশি। কিন্তু মুশকিল আসান হতে পারে আপনার হেঁশেলের এক চামচ ঘি। ঠাকুমাদের আমলের এই টোটকাতেই লুকিয়ে আছে রেশমি চুলের চাবিকাঠি।
কেন ঘি?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন এ। যা চুলের গভীরে গিয়ে পুষ্টি জোগায়। শ্যাম্পুতে থাকা সালফেট বা জলের ক্ষারের কারণে চুল প্রাণহীন হয়ে পড়ে। ঘি সেই হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা বা ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, খুশকি কমাতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
ফিরবে হারানো জেল্লা
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি আর দূষণে চুল তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারায়। ঘিয়ের প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার চুলের টেক্সচার উন্নত করে এবং ডগা ফাটা বা স্প্লিট এন্ডের সমস্যা দূর করে। ফলে চুল দেখায় ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
সারা রাত চুলে ঘি মেখে রাখার ভুল করবেন না। এতে চুলে ধুলোবালি জমে হিতে বিপরীত হতে পারে।
সরাসরি প্রয়োগ: স্নানের অন্তত ৩০ মিনিট আগে হালকা গরম ঘি চুলে মেখে নিন।
মিশ্রণ টোটকা: নারকেল তেলের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে মাখলে দ্বিগুণ উপকার মেলে। খুশকি কমাতে লেবুর রস ও আমন্ড অয়েলের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
অ্যালোভেরা জেল: রুক্ষতা বেশি হলে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ঘি মিশিয়ে প্যাক হিসেবে লাগান।
সপ্তাহে ৩-৪ দিন এই নিয়ম মেনে চললে এক মাসেই তফাতটা চোখে পড়বে। দামি প্রসাধনী ছেড়ে এবার না হয় ঘিয়ের ওপরই ভরসা থাকুক!
