গ্রীষ্মকালীন তৃষ্ণা মেটাতে খুঁজলেই পাওয়া যাবে হরেক রকমের ঠান্ডা পানীয়। তবে দোকানের প্রোসেসড পানীয়তে নানা ধরনের ক্ষতিকারক কেমিক্যাল ও প্রিজারভেটিভ থাকতে পারে। তাই শরীরের সুস্থতা চাইলে, সবচাইতে ভালো হবে যদি বাড়িতেই বানিয়ে নেওয়া যায় বহুবিধ শরবত। আম পান্না (mango panna) প্রায়শই খাওয়া হয় এই মরশুমে, জানেন কি, প্রায় একই রকমভাবে বানানো যায় আনারস এবং পেয়ারার পান্নাও! আজ রইল সহজ রেসিপি।
প্রথমেই বানিয়ে নিন এ জাতীয় শরবতের মশলা। যার জন্য লাগবে—
- দুই টেবিলচামচ জিরে
- দুই টেবিলচামচ মৌরি
- ২-৩ গোটা এলাচ
- তিন টেবিলচামচ গোটা গোলমরিচ
- অর্ধেক টেবিলচামচ কালো নুন
গরম কড়াইতে শুকনো খোলায় সব একসঙ্গে রোস্ট করে নিন। নামিয়ে ঠান্ডা হলে, গুঁড়ো করে নিন।
আম, পেয়ারা ও আনারসের পান্না।
আম পান্না
- ৪ কাঁচা আম
- এক কাপ গুড়
- আদা কুচি
- একটা কাঁচা লঙ্কা
- অর্ধেক কাপ লেবুর রস
কড়াইতে কাঁচা আম, গুড়, আদা কুচি, লঙ্কা, জল, স্বাদমতো লবণ একসঙ্গে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে, আমের খোসা ছাড়িয়ে নিন। বাকিটুকু ব্লেন্ডারে দিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। লম্বা গ্লাসে বরফের টুকরো দিন, প্রয়োজনমতো আমের পেস্ট দিন, লেবুর রস দিন। আগে থেকে তৈরি করে রাখা মশলা দিন। তারপর শীতল জল ঢেলে, ভালো করে মিশিয়ে নিন সমস্তটা। সরু ফালি করে কাটা কাঁচা আম সাজিয়ে দিন একপাশে।
আনারসের পান্না
- একই সামগ্রী লাগবে, কেবল আমের বদলে ডুমো করে কাটা আনারসের খণ্ড। তবে গুড়ের বদলে এক কাপ চিনি।
একইভাবে তৈরি করে নিন আনারসের পেস্ট। লম্বা গ্লাসে বরফের টুকরো দিন, আনারসের পেস্ট ও লেবুর রস দিন। সঙ্গে তৈরি করে রাখা মশলা। শীতল জল ঢেলে, ভালো করে মিশিয়ে নিন। পরিবেশনের সময় এক ফালি আনারস সাজিয়ে দেওয়া যায় গ্লাসের কিনারায়।
পেয়ারার পান্না
- ৪টে পেয়ারা, ছোট টুকরোয় কেটে নিন। পেয়ারা শক্ত হওয়ায়, সিদ্ধ হতে সময় লাগে। কাঁচা লঙ্কার বদলে নেওয়া যায় লাল শুকনো লঙ্কা।
পদ্ধতি এক্ষাত্রেও একই। গ্লাসে বরফের টুকরো দিয়ে, একে একে দিন পেয়ারার পেস্ট, লেবুর রস, আগে থেকে তৈরি করে রাখা মশলা। বরফ-ঠান্ডা জল ঢেলে, ভালো করে মিশিয়ে নিন সমস্তটা। উপরে সাজিয়ে দিন পেয়ারার ফালি।
