গ্রীষ্মের মাস কয়েক গরম উপেক্ষা করার উপায় নেই। যা করা যায়, তা হল অহরহ শরবত পান। যাতে শরীর শীতল থাকে। ভিতর থেকে শুকিয়ে যেতে না পারে। আর শরবত তৈরিতে যদি মরশুমি ফল ব্যবহার করা যায়, তবে সোনায় সোহাগা। সব ধরনের ফলেরই কিছু না কিছু গুণাগুণ রয়েছে, যা মানবশরীরের হিতসাধন করে।
চেনা-পরিচিত আম-তরমুজ-বেলের শরবত তো রইলই। আজ বানানো যাক অভিনব আনারস 'কুলার' (Pineapple Cooler)। তপ্ত দুপুরে দেহ-মন জুড়িয়ে দেয় এই পানীয়। বাড়িতে বসেই নেওয়া যায় মকটেলের আস্বাদ।
ডুমো করে কেটে নিতে হবে আনারস।
উপকরণ
- ডুমো করে কাটা আনারস
- ১৫-২০ তাজা পুদিনা পাতা
- ২ টেবিলচামচ পাতিলেবুর রস
- ১ টেবিলচামচ মধু
- অর্ধেক চা-চামচ কালো লবণ
- বরফ খণ্ড প্রয়োজনমতো
প্রণালী
পদ্ধতি ১: ব্লেন্ডারে বরফ-ঠান্ডা জলের সঙ্গে ঢেলে দিন আনারস, পুদিনা পাতা, পাতিলেবুর রস। মিশ্রণের টেক্সচার মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করে যান। যদি সামান্য দানা-ভাব চান, তবে এইভাবেই শরবত বানানো যায়। কেউ চাইলে মিশ্রণ ছেঁকে নিতে পারেন। কালো লবণ ও মধু মিশিয়ে দিন। গ্লাসে ঢেলে উপর থেকে প্রয়োজনমতো বরফ খণ্ড সাজিয়ে দিন।
আর এক ধাপ এগিয়ে, একেবারে রেস্তরাঁর মকটেলের স্বাদও আনা যায় এই পানীয়তে। তার জন্য বাকি সমস্ত উপকরণের সঙ্গেই প্রয়োজন পড়বে—
- সরু ফালিতে কাটা শশা
- সবজা সিডস
- আদা কুচি
- ডাবের জল
পদ্ধতি ২: ব্লেন্ডারে আনারস, পুদিনা পাতা, পাতিলেবুর রসের সঙ্গেই ডাবের জল ও আদা কুচিও দিতে হবে। মিশ্রণ ছেঁকে নিতে হবে। গ্লাসে সবার প্রথমে দিতে হবে গত রাত থেকে ভিজিয়ে রাখা সবজা সিডস। তারপর বরফ খণ্ড ও শশার পাতলা ফালি সাজিয়ে দিন। এরপর মিশ্রণ ঢেলে দিন তার মধ্যে। একেবারে উপরে আনারসের ছোট টুকরো ও পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন গার্নিশের জন্য।
উপরে আনারসের ছোট টুকরো ও পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন গার্নিশের জন্য।
এই শরবত ছোট-বড় সকলেরই ভালো লাগতে বাধ্য। আনারসে ন্যাচারাল সুগার থাকায় তা শরীরের সুগার ক্রেভিং মেটায়। ফলে শরীর হাইড্রেট করার পাশাপাশি জুড়িয়ে যায় গরমের অসহ্য হাঁসফাঁস কষ্ট।
