shono
Advertisement
Rajasthani Rabdi Recipe

গরমে কোল্ড ড্রিঙ্কস ভুলে যান! এই রাজস্থানি পানীয় খেলেই শরীর থাকবে ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল

রাজস্থানের বারমের, জয়সলমীর, বিকানিরের তাপমাত্রা যখন ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবেই দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে পড়ে সেখানকার মানুষের। সে সময় তারা বানিয়ে নেয় টক-মিষ্টি স্বাদের এক অভিনব রাবড়ি!
Published By: Utsa TarafdarPosted: 05:07 PM Jun 08, 2026Updated: 06:33 PM Jun 08, 2026

সারাদিন এসির হাওয়ায় থাকা উচিত নয়, শরীরের ক্ষতি তো হয়েই। ইলেকট্রিসিটির বিলও বাড়ে। তবে শরীর ঠান্ডা রাখা যাবে কীভাবে? কোল্ড ড্রিঙ্কসে নানা ধরনের ক্ষতিকারক কেমিক্যাল থাকে, ফলে সেসবও নিয়মিত পান করা যায় না। অথচ বাইরের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে উত্তরোত্তর। এমন সমস্যার সমাধান করতে রাজস্থানবাসী বহুকাল আগেই আবিষ্কার করেছে এক অভিনব খাদ্য। খাদ্য, নাকি পানীয় বলা চলে একে?

Advertisement

এই খাবারের নাম রাবড়ি হলেও, বাঙালির পরিচিত রাবড়ির থেকে বেশ আলাদা সব অর্থেই।

রাজস্থানের বারমের, জয়সলমীর, বিকানিরের তাপমাত্রা যখন ৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবেই দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে পড়ে সেখানকার মানুষের। সে সময় তারা বানিয়ে নেয় এমন এক খাবার, যা খাদ্য ও পানীয়ের মাঝামাঝি। স্বাদে টক-মিষ্টি, খেলে শরীর ভিতর থেকে জুড়িয়ে যায় যেন। কর্মক্ষমতাও বাড়ে। এই খাবারের নাম রাবড়ি (Rajasthani Rabdi) হলেও, বাঙালির পরিচিত রাবড়ির থেকে বেশ আলাদা সব অর্থেই। এতে চিনির নামমাত্র নেই! দুধের বদলে ব্যবহার হয় ঘোল। তৈরি করতে দরকার পড়ে জোয়ার বা বাজরার আটা।

কেন জনপ্রিয় এই রাজস্থানি রাবড়ি?

স্থানীয়দের মতে, এই খাবারের বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে, যেমন—
• শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
• ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমাতে পারে।
• হজমশক্তি বাড়ায়।
• কর্মক্ষমতা জোগায়।

কীভাবে তৈরি করবেন?
উপকরণ—

• ২ টেবিলচামচ বাজরা বা জোয়ারের আটা
• ২ কাপ ঘোল (বাটারমিল্ক)
• প্রয়োজনমতো জল
• স্বাদমতো লবণ
• গোটা জিরে
• কাঁচালঙ্কা

রাজস্থানের পশ্চিমাঞ্চলের বহু গ্রামে গ্রীষ্মকালে এই রাবড়ি খাওয়ার চল রয়েছে।

প্রণালী—
প্রথমে আটার সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। কম আঁচে বসিয়ে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন।ধীরে ধীরে ঘোল মেশান তাতে। মিশ্রণটি সামান্য ঘন হওয়া পর্যন্ত নেড়ে যান।স্বাদমতো লবণ দিন।শুকনো খোলায় গোটা জিরে আর কুচানো কাঁচালঙ্কা রোস্ট করে নিন। রাবড়ি তৈরি হয়ে এলে, মিশিয়ে দিন তার সঙ্গে।

রাজস্থানের পশ্চিমাঞ্চলের বহু গ্রামে গ্রীষ্মকালে এই রাবড়ি খাওয়ার চল রয়েছে। এমনকী কিছু এলাকায় ‘জ্যৈষ্ঠ শুক্লা চতুর্থী’ উপলক্ষে ‘রাবড়ি দিবস’-ও পালন করা হয়। অনেকেই একে 'ছাচ রাবড়ি' বলে। বাঙালির মুখে এ স্বাদ অপরিচিত লাগবে বৈকি। তবে উপকরণ যেহেতু একেবারেই সহজলভ্য, একবার অন্তত বাড়িতে বানিয়ে দেখাই যেতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement