সন্তোষ ট্রফিতে জয়ের হ্যাটট্রিকের পর একদিনের বিশ্রাম নিয়ে অসমের শালাপাথার ফুটবল স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে নেমেছিল বাংলা। আগের তিনটি ম্যাচ ঢাকুয়াখানা স্টেডিয়ামে খেলেছিল সঞ্জয় সেনের দল। ফলে বুধবারের ম্যাচ ছিল তাদের কাছে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশে। সেই মাঠেই টানা জয়ের পর নিয়মরক্ষার ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করল বঙ্গ ব্রিগেড।
ইতিমধ্যেই কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে বাংলা। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে তামিলনাড়ুকে হালকাভাবে নিতে চাননি বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন। গত দুই ম্যাচের প্রতিপক্ষ নাগাল্যান্ড এবং রাজস্থান এরিয়াল বলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলেও, তামিলনাড়ু যে পাসিং ফুটবলে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য, তা সঞ্জয় সেন আগেই বুঝে গিয়েছিলেন। ম্যাচে সেটাই দেখা যায়। দুই উইং দিয়ে মাঝেমাঝেই আক্রমণে উঠছিলেন বাংলার প্রতিপক্ষ। বাংলাও আক্রমণ শানিয়েছে। তবে প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিল। তবে বিরতির পর শুরুতেই এগিয়ে যায় তামিলনাড়ু। এক্ষেত্রেও তাদের ডানপ্রান্তিক আক্রমণ দেখা যায়। নন্ধাকুমার দূরপাল্লার শটে গোল করে যান। এরপর বেশ কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলা। তবে হাল ছাড়েননি সঞ্জয় সেনের ছেলেরা। সমতায় ফিরতে খেলার গিয়ার বদল করে তারা।
তার ফলও পায় হাতেনাতে। ৮০ মিনিটে বহুযুদ্ধের সৈনিক নরহরি শ্রেষ্ঠা সমতায় ফেরান বাংলাকে। ৮৮ মিনিটে ফের সুযোগ পায় বাংলা। নরহরির ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৯১ মিনিটে সুযোগ এসে গিয়েছিল তামিলনাড়ুর কাছেও। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্রয়ে শেষ হয় ম্যাচ। এই ড্রয়ের ফলে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রইল বাংলা। ৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তামিলনাড়ু। ৩০ জানুয়ারি গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলার সামনে অসম।
