যুদ্ধের জেরে আদৌ ইরান আমেরিকায় ফুটবল খেলতে যাবে কি না সংশয় আছে। এর মধ্যে আরও কয়েকটি দেশের ফুটবলারদের উপর বিধিনিষেধ আসতে পারে। যার নেপথ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়াকড়ি। যার ফলে আমেরিকায় পা রাখলেই বিরাট অঙ্কের টাকা জমা দিতে হবে ফুটবলার ও দর্শকদের।
বিশ্বকাপ শুরু হতে তিন মাসেরও কম সময় বাকি। কিন্তু এর মধ্যেই কূটনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে। এর মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতিতে অনেক দেশকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তার মধ্যে যে দেশগুলি আছে, তার মধ্যে অনেকগুলো দেশ বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছে। দেশগুলো হলো—আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, সেনেগাল ও আইভরি কোস্ট। এই দেশগুলোর সমর্থক বা ফুটবলারদের অনেককে আমেরিকার মাটিতে পা রাখলেই প্রায় ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের বন্ড জমা করতে হবে।
কেন এই পরিস্থিতি? কোনও দেশের বাসিন্দাদের ব্যবসায়িক বা ভ্রমণের জন্য আমেরিকায় যেতে হলে বি১ বা বি২ ভিসা দেওয়া হয়। বর্তমানে ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কড়াকড়ি ফলে এই দেশগুলোর বাসিন্দাদের আমেরিকায় যেতে হলে বিরাট অঙ্কের বন্ড জমা রাখতে হচ্ছে। বিখ্যাত ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম 'দ্য অ্যাথলেটিক'-এর খবর অনুযায়ী ২ এপ্রিল থেকে আরও একটি নতুন তালিকা কার্যকর হতে চলেছে। যার আওতায় আসবে তিউনিসিয়াও।
এখানেই শেষ নয়। এখনও বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের প্লেঅফের ম্যাচ চলছে। তার মধ্যে থেকে আলবেনিয়া, ইরাক, জামাইকা বা উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার মতো দেশের উপর খাঁড়া নেমে আসতে পারে। ট্রাম্পের এই নতুন নীতি চালুর আগেই সেনেগাল ও আইভরি কোস্টের মতো দেশগুলোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ কঠিন ছিল। নতুন আর্থিক শর্তে তা আরও বাড়ল। তবে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও ফিফার মধ্যে আলোচনা চলছে। এই পাঁচ দেশের ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও অফিসিয়ালদের বন্ড শিথিল করা নিয়ে কথা চলছে। তবে তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য এমন কোনো ছাড় দেয়ার সম্ভাবনা আপাতত নেই।
