প্রথমার্ধের একটা ঝোড়ো স্পেল। আর তাতেই রিয়াল মাদ্রিদের কাছে পর্যুদস্ত ম্যানসিটি। ফেদেরিকো ভালভার্দের হ্যাটট্রিকে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ১৬-র প্রথম লেগের ম্যাচে সিটিজেনসদের ৩-০ গোলে হারিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। অন্য ম্যাচে চেলসিকে ৫-২ গোলে হারিয়েছে পিএসজি।
এই ম্যাচে ছিলেন না কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহাম এবং রদ্রিগোর মতো তারকারা। তা সত্ত্বেও রিয়ালের দাপট কমেনি। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দাপুটে জয় পেল আলভারো আরবেলোয়ার দল। ২০ মিনিটে গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়ার লম্বা বাড়ানো বল থেকে প্রথম গোলটি করে যান ভালভার্দে। এর সাত মিনিট পর অধিনায়ক ভিনিসিয়াস জুনিয়রের পাস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই মিডফিল্ডার। ৪২ মিনিটে দিয়াসের পাস থেকে দুরন্ত ভলিতে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ২৭ বছর বয়সি ফুটবলার। বলা চলে উরুগুয়ের এই খেলোয়াড়ই বিপক্ষ দলের ধস নামিয়ে দেন।
আরও বেশি ব্যবধানে জিততে পারত রিয়াল। তবে সিটির ইটালিয়ান গোলকিপার জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মা ভিনিসিয়াসের পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেন। গোটা ম্যাচে আর্লিং হালান্ড আন্তোনিও রুডিগার ও ডিন হাইজেনের চক্রব্যূহে বন্দি ছিলেন। এই ম্যাচে বেশ কিছু রেকর্ডও হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটি কোর্তোয়ার ৩৪তম ক্লিন শিট। যা অলিভার কানকে (৩৩) ছাপিয়ে গিয়েছে। তাছাড়াও নকআউট পর্বের প্রথম লেগের ম্যাচে পেপ গার্দিওলার যৌথভাবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয় এটি। এই জয়ের পর এই জয়ের ফলে আগামী মঙ্গলবার ম্যাঞ্চেস্টারে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ।
অন্যদিকে, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল পিএসজি। ঘরের মাঠে চেলসিকে ৫-২ গোলে হারাল পিএসজি। দু-দু'বার সমতায় ফিরে লড়াই জমিয়ে দিলেও শেষ পর্যন্ত ক্লাব বিশ্বকাপের মধুর প্রতিশোধ নিয়ে জয় পায় লুইস এনরিকের দল। ১০ মিনিটে ব্র্যাডলি বার্কোলার গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। ২৮ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের গোলে সমতায় ফেরে চেলসি। ৪০ মিনিটে পিএসজি-কে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন দেম্বেলে। ৫৭ মিনিটে ফার্নান্দেজের গোলে স্কোর লাইন ২-২ হয়। ৭৪ মিনিটে ভিতিনিয়ায় গোলে আবারও এগিয়ে যায় পিএসজি। এরপর ৮৬ এবং ৯৪ (৯০+৪) মিনিটে খভিচা কভারাতসখেলিয়া জোড়া গোলে স্কোর লাইন ৫-২ হয়।
