shono
Advertisement
Prescription Plus

ঋতু বদলের ফাঁদে শিশুরা, সন্তানকে সুরক্ষিত রাখবেন কীভাবে? জানালেন বিশেষজ্ঞ

তাপমাত্রার হেরফের বুঝে ব্যবস্থা নিন এবং সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিয়মিত সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম আর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে বেশিরভাগ সর্দি-কাশি বা ছোটখাটো ভাইরাল সংক্রমণ সহজেই এড়ানো যায়
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 06:30 PM Feb 27, 2026Updated: 07:22 PM Feb 27, 2026

 বিকেল বা সন্ধের পর হালকা ঠান্ডা। ভোরের দিকেও থাকে একটু শীত শীত ভাব, আর দুপুরে রোদে গরম- তাপমাত্রার এই ওঠানামা শরীরকে ফেলে বেশ বেকায়দায়। বড়দের শরীর কিছুটা মানিয়ে নিতে পারলেও, ছোটদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি তৈরি না হওয়ায় তাদের পড়তে হয় বেশ সমস্যায়।

Advertisement

এই সময় ছোটদের ভোগান্তির কারণ
● তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন ছোটদের শরীর দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে না।
● খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সক্রিয় হয়ে ওঠা।
● স্কুল, খেলা, টিফিন ভাগ করে খাওয়া― এসবের মাধ্যমে সংক্রমণ দ্রুত ছড়ায়।
● এ সময় পেটের সংক্রমণ বা স্টম্যাক ফ্লু-ও দেখা দেয়।

ছবি: সংগৃহীত

তাহলে কী করণীয়?
● রাতে হালকা চাদর
ঘুমের সময় শিশুর গায়ে হালকা চাদর রাখুন। এমন চাদর ব্যবহার করুন যাতে ঘাম না হয়। ঘাম বসে গেলেও ঠান্ডা লাগতে পারে, আবার বেশি ঠান্ডাও ক্ষতিকর।
● লেয়ারিং পোশাক
খুব মোটা জামা না পরিয়ে ২-৩টি পাতলা লেয়ারের পোশাক পরান। গরম লাগলে একটি খুলে দেওয়া যাবে, ঠান্ডা লাগলে আবার পরানো যাবে।
● পাখা বা এসি ব্যবহারে সতর্কতা
দুপুরে গরম লাগলেও সন্ধে বা ভোরের তাপমাত্রার কথা মাথায় রেখে পাখা বা এসি ব্যবহার করুন।
● হাত ধোয়া ও হাইজিন
নিয়মিত হাত ধোয়া খুব জরুরি। হাঁচি-কাশি হলে মুখ ঢাকার অভ্যাস শেখান। অসুস্থ শিশুকে স্কুলে না পাঠানোই ভাল।

ছবি: সংগৃহীত

● পরিষ্কার ও টাটকা খাবার
বাসি খাবার এড়িয়ে চলুন। টাটকা, ঘরে তৈরি খাবার দিন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকে।
● পরিশোধিত জল ও পর্যাপ্ত তরল
বিশুদ্ধ জল পান করান। শরীর হাইড্রেট থাকলে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সুবিধা হয়।
● ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলা
এই সময় বাইরে থেকে এসে সঙ্গে সঙ্গে কোল্ড ড্রিংকস বা আইসক্রিম না দেওয়াই ভালো। তাপমাত্রার ওঠানামায় এগুলো গলা ও শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি করতে পারে।
● নিয়মিত টিকাকরণ
ঋতু পরিবর্তনের সময় শিশুদের ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই নির্ধারিত সময় টিকাকরণ অত্যন্ত জরুরি। যেমন ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা। সর্দি-কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধে কার্যকর। প্রতি বছর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দেওয়া উচিত। এছাড়া হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি, নিউমোকক্কাল ভ্যাকসিন ইত্যাদিও জরুরি।

সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, তাপমাত্রার হেরফের বুঝে ব্যবস্থা নিন এবং সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিয়মিত সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম আর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে বেশিরভাগ সর্দি-কাশি বা ছোটখাটো ভাইরাল সংক্রমণ সহজেই এড়ানো যায়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement