shono
Advertisement
Hair Fall Myth

শহর বদলালেই বাড়ছে চুল পড়ার সমস্যা! দোষ জলের? খোলসা করলেন বিশেষজ্ঞরা

নতুন শহরে গিয়ে হঠাৎ চুল পড়া শুরু মানেই জলের দোষ। অনেকেরই হঠাৎ চুল পড়া শুরু হলে প্রথম সন্দেহ যায় জলের দিকে। বিশেষ করে বলা হয়, হার্ড ওয়াটারই নাকি সব কিছুর মূল কারণ। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, বাস্তবটা এতটা সহজ, সরল নয়।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 04:20 PM Feb 17, 2026Updated: 05:00 PM Feb 17, 2026

নতুন শহরে গিয়ে হঠাৎ চুল পড়া শুরু মানেই জলের দোষ। অনেকেরই হঠাৎ চুল পড়া শুরু হলে প্রথম সন্দেহ যায় জলের দিকে। বিশেষ করে বলা হয়, হার্ড ওয়াটারই নাকি সব কিছুর মূল কারণ। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, বাস্তবটা এতটা সহজ, সরল নয়।

Advertisement

ফাইল ছবি

সমস্যা যখন হার্ড ওয়াটার
হার্ড ওয়াটারে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজের পরিমাণ বেশি থাকে। এই খনিজ চুলের উপর আস্তরণ তৈরি করে। ফলে চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হতে পারে। দেখা দিতে পারে জটের সমস্য়াও। অনেক সময় চুলের ডগা ভেঙেও যায়। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এগুলো চুলের গঠনগত ক্ষতি করতে পারে, কিন্তু স্থায়ীভাবে টাক পড়ার কারণ নয়। কপালের সামনে চুল উঠে যাওয়া, ধীরে ধীরে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা মাথার নির্দিষ্ট অংশে টাক পড়া- এসব সাধারণত অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেশিয়ার লক্ষণ। হার্ড ওয়াটার চুলের টেক্সচার খারাপ করতে পারে, কিন্তু হেয়ার ফলিকল নষ্ট করে না।

নতুন শহর, নতুন জীবন, বদলে যাওয়া রুটিন
কলেজ বা চাকরির কারণে অন্য শহরে গেলে জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসে। অনিয়মিত খাওয়া, পর্যাপ্ত প্রোটিনের অভাব, ঘুমের ঘাটতি, মানসিক চাপ- সব মিলিয়ে শরীরের উপর চাপ পড়ে। এই সময়েই বয়সজনিত কারণে জেনেটিক হেয়ার লস শুরু হতে পারে। কিন্তু আমরা সহজ কারণ খুঁজি। তাই দায় পড়ে জলের উপর। শাওয়ার ফিল্টার বদলানো হয়, বোতলজাত জল দিয়ে স্নান করা হয়, অথচ চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা কখনওই মাথায় আসে না।

ফাইল ছবি

কখন সতর্ক হবেন?
নিচের লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
১. কপালের সামনের অংশের চুল পাতলা হতে শুরু করা
. মাথার মাঝখানে চুল কমে যাওয়া
৩. পরিবারে অল্প বয়সে টাকের ইতিহাস থাকা
৪. ছ’মাসের বেশি সময় ধরে চুল পড়া চলতে থাকা
প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শুরু করলে অনেক ক্ষেত্রেই চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। দেরি হলে ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।

কী করবেন?
১. সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখুন, বিশেষ করে প্রোটিন ও আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান
২. নিয়মিত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
৩. হালকা, সালফেট-মুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন
৪. প্রয়োজনে ডার্মাটোলজিস্ট বা ত্বকরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, টাক পড়া কোনও প্লাম্বিং বা জলের সমস্যা নয়। এটি একটি চিকিৎসাজনিত বিষয়। তাই জলের সমস্যা ভেবে প্লাম্বারের কাছে নয়, চিকিৎসকের দরজায় কড়া নাড়ুন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement