ফাঁকা বাড়িতে অনুমতি ছাড়াই নমাজ পাঠের অভিযোগ। এই ঘটনায় 'শান্তিভঙ্গে'র অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি জেলায় ১২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। একটি ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে, একটি পরিত্যক্ত ফাঁকা বাড়িতে নমাজ পড়ছেন স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি করে অন্য গোষ্ঠীর বাসিন্দারা। ভিডিও নজরে আসে পুলিশেরও। এর পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত ১২ জনকে আটক করে পুলিশ।
ঘটনাটি বরেলি জেলার মহম্মদগঞ্জ গ্রামের। স্থানীয় পুলিশকর্তা আনশিকা বর্মা বলেন, খবর পেয়ে প্রাথমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, গত কয়েক সপ্তাহ হল পরিত্যক্ত বাড়িটিকে অস্থায়ী মাদ্রাসা হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। এর জন্য প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া হয়নি। এসপি আনশিকা বলেন, "অনুমতি ছাড়া কোনও ধর্মীয় কার্যকলাপ বা সমাবেশ অনুষ্ঠিত করা আইনের লঙ্ঘন। যদি এই ধরনের কার্যকলাপের পুনরাবৃত্তি হয় তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" পাশাপাশি স্থানীয় সব সম্প্রদায়ের মানুষকে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করেছে প্রশাসন।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক করা ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে তাঁরা জামিনে মুক্ত হন। অভিযুক্ত আরও তিন জন পলাতক। তাঁদের খুঁজছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ফাঁকা বাড়িটি হানিফ নামের একজনের। কিছুদিন হল শুক্রবারের নমাজ পড়া শুরু হয় সেখানে। যদিও এর জন্য লিখিত অনুমতিপত্র দেখাতে পারেননি অভিযুক্তরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বাড়িতে নিয়মিত দলবদ্ধ নমাজপাঠ নিয়ে আপত্তি তোলেন। এলাকায় শান্তিভঙ্গের অভিযোগ করেন। পাশাপাশি ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। যদিও প্রশ্ন উঠছে, মালিকের অনুমতিতে একটি বাড়িতে কিছু মানুষ নমাজ পড়লে কীভাবে শান্তিভঙ্গ হয়?
