বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের অনুষ্ঠানে বিএনপির আমন্ত্রণে অবশেষে সাড়া দিল ভারত। আগামী মঙ্গলবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার নেবেন। সেই অনুষ্ঠানে ভারত-সহ ১৩ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দলের তরফে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় একেবারে প্রথম সারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি যে নির্দিষ্ট দিনে ঢাকা যাবেন না, তাও জানা গিয়েছিল। তারেকের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এবার প্রতিনিধি চূড়ান্ত করল নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি যাচ্ছেন ঢাকায়।
তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এবার প্রতিনিধি চূড়ান্ত করল নয়াদিল্লি। সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদির প্রতিনিধি হয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা ও বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি যাচ্ছেন ঢাকায়।
আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার বাংলাদেশের সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমান শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। তাঁর পাশাপাশি শপথ নেবেন নির্বাচনী জয়ী সংসদ সদস্যরাও। দেশের এমন ঐতিহাসিক দিনে প্রতিবেশী ভারত-সহ ১৩ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে বিএনপি। আগেই জানা গিয়েছিল, তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আগামী মঙ্গলবার ঢাকায় তারেক রহমানের শপথে মোদির অনুপস্থিতির কারণ মূলত তাঁর পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি। ওইদিন ভারত সফররত ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। মু্ম্বইতে মোদি-ম্যাক্রোঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। এই সূচির কারণে মোদি ওইদিন বিএনপির আমন্ত্রণ রক্ষা করে ঢাকা যেতে পারছেন না।
তবে ভারতের তরফে কোনও না কোনও প্রতিনিধির থাকার কথা। রবিবার সকাল পর্যন্ত সূত্রের খবর অনুযায়ী, মোদির হয়ে ঢাকায় তারেক রহমানের শপথে হাজির থাকতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর অথবা উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণ। কিন্তু বিকেলেই এই জল্পনা বদলে গেল। জানা গেল, জয়শংকর বা রাধাকৃষ্ণণ নন, বিএনপির আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা যাচ্ছেন বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। কেন্দ্রের তরফে তাঁদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
