Advertisement

গোয়ায় মমতার পোস্টার, বুধবারই তৃণমূলে সেরাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

07:44 PM Sep 28, 2021 |

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: জল্পনার অবসান। তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো (Luizinho Faleiro)-সহ একঝাঁক কংগ্রেস নেতা-কর্মী। মঙ্গলবার বিকেলেই কলকাতায় এসেছেন তাঁরা। বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু। এদিকে গোয়ায় তৃণমূল নেত্রীর নামের হোর্ডিংয়ে ছেয়ে গিয়েছে। প্রকাশিত হয়েছে লোগো ও স্লোগানও। সবমিলিয়ে শুধু পূর্ব নয় এবার পশ্চিমের রাজ্যেও শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল। পুজোর পরই পশ্চিমের এই দ্বীপরাজ্যে সফরে যেতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

এদিন তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবারই ক্ষুদিরাম অনুশীলন ভবনে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেবেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান এই নেতা। যোগ দেবেন তাঁর অনুগামীরাও। প্রসঙ্গত, সোমবারই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে কংগ্রেস ছেড়েছেন লুইজিনহো।

[আরও পড়ুন: কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, টুইটে মমতার প্রশংসা লুইজিনহোর]

দিনকয়েক ধরেই তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। তৃণমূল নেত্রীর প্রশংসা করে দল ছেড়েছেন লুইজিনহো। এদিন সকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা। বলেন, “নরেন্দ্র মোদিকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার ফর্মুলা বাংলায় জিতে গিয়েছে।” এর পরই কংগ্রেসের সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।

[আরও পড়ুন: পাঞ্জাবের রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়, এবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়লেন সিধু]

বাংলার মহারণের পর থেকেই সর্বভারতীয় স্তরে শক্তি বাড়াচ্ছে তৃণমূল। অসম, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশের পর গোয়ায় (Goa) সংগঠন মজবুত করতে তৎপর হয়েছে ঘাসফুল শিবির। সেই দায়িত্ব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে সঁপেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছেন তিনি। সাজিয়েছেন ঘুঁটি। অন্যান্য দলের একাধিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগযোগ করছেন তিনি। তৃণমূলের দাবি, বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরাব তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আর আগে কংগ্রেসের দাপুটে নেত্রী সুস্মিতা দেবকে দলে টেনেছে তৃণমূল। আর এবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পালা। যার জেরে সর্বভারতীয় স্তরে তৃণমূলের শক্তি আরও বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement
Next