সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুরেশ কালমাডি (Suresh Kalmadi)। জানা গিয়েছে, পুণের দীননাথ মঙ্গেশকর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা। মঙ্গলবার সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। উল্লেখ্য ২০১০ সালে দিল্লিতে আয়োজিত কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ছিল প্রয়াত নেতার বিরুদ্ধে। তার জন্য গ্রেপ্তারও হন কালমাডি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।
জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন কালমাডি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মঙ্গলবার বিকেলেই কালমাডির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে পুণের বৈকুণ্ঠ শ্মশানভূমিতে। স্ত্রী, পুত্র-পুত্রবধূ, কন্যা-জামাই, নাতি-নাতনি রয়েছেন প্রয়াত কালমাডির পরিবারে। শেষকৃত্যের আগে কালমাডি হাউসে প্রয়াত নেতার দেহ রাখা থাকবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য। উল্লেখ্য, কংগ্রেস নেতা হিসাবে পুণেতে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন কালমাডি।
রেলের প্রতিমন্ত্রী থাকলেও ভারতীয় ক্রীড়াদুনিয়াতেই কালমাডির পরিচিতি বেশি ছিল। ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সেখান থেকেই কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতির সঙ্গে কালমাডির নাম জড়িয়ে যায়। ২০১১ সালে কালমাডি গ্রেপ্তার হন। দল থেকে কালমাডিকে বহিষ্কার করে কংগ্রেস। পরে ২০১৬ সালে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের লাইফ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন কালমাডি। কিন্তু সেই নির্বাচন ঘিরে তদন্তের নির্দেশ দেয় ক্রীড়ামন্ত্রী। তার জেরে পদ গ্রহণ করেননি কালমাডি।
তবে মৃত্যুর আগে কমনওয়েলথ গেমস দুর্নীতি থেকে কার্যত ক্লিনচিট পেয়েছেন কালমাডি। গত এপ্রিল মাসে দিল্লির এক আদালতে কমনওয়েলথ গেমস কেলেঙ্কারির ‘ক্লোজার রিপোর্ট’ জমা দিয়েছে ইডি। ওই রিপোর্টে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, দীর্ঘ তদন্তের পরও কমনওয়েলথ মামলায় কোনও আর্থিক দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি। ইডির সেই ক্লোজার রিপোর্ট গ্রহণ করেছে আদালত। এই মামলায় সিবিআই ২০১৪ সালেই ক্লোজার রিপোর্ট দিয়েছে। সিবিআইও কমনওয়েলথ গেমসে কোনও দুর্নীতি পায়নি।
