shono
Advertisement
Ghaziabad

বাবার তিন স্ত্রী! ছিল লিভ-ইন পার্টনারও, কোরিয়ান গেম আসক্ত কিশোরীদের মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য

কিশোরীদের তিন মা-ও ছিল তিন বোন! ক্রমশই রহস্য আরও ঘনাচ্ছে গাজিয়াবাদের ওই ঘটনায়।
Published By: Biswadip DeyPosted: 06:48 PM Feb 07, 2026Updated: 06:49 PM Feb 07, 2026

গাজিয়াবাদে তিন কিশোরী বোনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে মোবাইল ও কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি আসক্তি! সেই সঙ্গেই জানা যাচ্ছে মৃত মেয়েদের বাবা চেতন কুমারের তিন স্ত্রী ও এক লিভ-ইন পার্টনারের কথাও। এই জানা গিয়েছে, চেতনের লিভ-ইন পার্টনারেরও রহস্যমৃত্যু হয়েছিল। সব মিলিয়ে নানা তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের।

Advertisement

তদন্তে উঠে এসেছে, বাজারে প্রায় ২ কোটি টাকার দেনা রয়েছে চেতনের। কিন্তু সেই দাবি উড়িয়ে তাঁর দাবি, সব মিলিয়ে তাঁর ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে তাঁর মেয়েদের মৃত্যুর কোনও সম্পর্ক নেই বলেই বারবার দাবি করেছেন তিনি। এদিকে, তদন্তে এও উঠে এসেছে চেতনের রয়েছে তিন স্ত্রী। তাঁরা আবার তিন বোন। যাঁদের মধ্যে একজন সুজাতা চেতনের বড় মেয়ে নিশিকার মা। আরেকজন হিনা বাকি দুই কিশোরী প্রাচী ও পাখির মা। এছাড়াও রয়েছেন টিনা, যিনি সুজাতা ও হিনার ছোটবোন। এরই পাশাপাশি চেতনের এক লিভ-ইন পার্টনারও ছিল বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। ২০১৫ সালে তিনি রাজেন্দ্রনগর কলোনির এক ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। পুলিশ পরে সিদ্ধান্তে আসে ওই মৃত্যু আত্মহত্যা।

এদিকে আরও এক তথ্য হাতে এসেছে। জানা গিয়েছে, চেতন তিন মেয়ের মোবাইল বিক্রি করে দিয়েছিলেন বিদ্যুৎ বিল মেটাতে! ঘটনার দিন মায়ের থেকে মোবাইল ফোন নিয়েছিল তিন কিশোরী। যদিও সেই ফোন থেকে কোরিয়ান অ্যাপ ও কনটেন্ট দেখা যায়নি। সেই কারণেই এই আত্মহত্যা কিনা, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এও জানা যাচ্ছে, মেয়েদের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক ছিল খুবই ঘনিষ্ঠ। কিন্তু মায়েদের সঙ্গে তাদের বিশেষ বনিবনা হত না। আর সেই কারণেই সুইসাইড নোটে বাবার নামই কেবল লেখা, মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আপাতত সাইবার অপরাধ দমন শাখা কিশোরীদের ফোনের আইএমইআই নম্বর সার্চ করে ক্রেতার সন্ধান পেতে চাইছে। মনে করা হচ্ছে, ওই ফোন থেকেও অনেক সূত্র পাওয়া যেতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement