যুদ্ধের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ জিএসটি আদায় মোদি সরকারের। সরকারি রিপোর্ট বলছে, গত মাসের তুলনায় মার্চ মাসে ৮.৮ শতাংশ বেড়েছে জিএসটি আদায়। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ২ লক্ষ কোটিরও বেশি।
কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চ মাসে আভ্যন্তরীণ লেনদেন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যার জেরে মোট রাজস্ব আদায় ৫.৯ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ১.৪৬ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে আমদানি ক্ষেত্র থেকেও রাজস্ব আদায় বিপুল বৃদ্ধি পেয়েছে কেন্দ্রের। এক্ষেত্রে ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে রাজস্ব আদায়। এই খাতে সরকারের আয় হয়েছে ৫৩,৮১৬ কোটি টাকা। রিপোর্টে স্পষ্ট যে আমদানি ক্ষেত্র আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। সরকারের আয় বাড়লেও আমদানি ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাওয়ার ঘটনা সার্বিক অর্থনীতির জন্য খুব একটা ভালো খবর নয় বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
মার্চ মাসে আভ্যন্তরীণ লেনদেন ব্যাপকভাবে বেড়েছে। যার জেরে মোট রাজস্ব আদায় ৫.৯ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ১.৪৬ লক্ষ টাকা। আমদানি ক্ষেত্রে ১৭.৮ শতাংশ বেড়েছে রাজস্ব আদায়।
শুধু তাই নয় কেন্দ্রের রিপোর্টে আরও জানা যাচ্ছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশের জিএসটি আদায় ৮.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২২.২৭ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেখান থেকে রিফান্ড বাদ দিলে কেন্দ্রের মোট জিএসটি আদায় হয়েছে ১৯.৩৪ লক্ষ কোটি। অর্থাৎ গত বারের তুলনায় এবছর জিএসটি আদায় বেড়েছে ৭.১ শতাংশ। রাজ্যগুলির মধ্যে জিএসটি আদায়ে সবচেয়ে বেশি অবদান মহারাষ্ট্রের। এখান থেকে এসেছে ০.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। এরপরই রয়েছে কর্নাটক ও গুজরাট।
এছাড়াও বেশ কয়েকটি রাজ্যে জিএসটি আদায়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নজরে এসেছে। সেগুলি হল, হিমাচল প্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্রপ্রদেশ। তবে, বেশকিছু রাজ্যে হ্রাসও পেয়েছে জিএসটি সংগ্রহ, যেগুলি হল, জম্মু ও কাশ্মীর, চণ্ডীগড়, দিল্লি, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, অসম, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, ছত্তিশগড় এবং মধ্যপ্রদেশ।
