দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper) এক্সপ্রেস ছোটা শুরু করবে চলতি সপ্তাহেই। হাওড়া এবং অসমের মধ্যে চলাচল করবে এই ট্রেন। ইতিমধ্যেই টিকিট কাটাও শুরু করে দিয়েছেন যাত্রীরা। তবে তাতে শুধুই 'ভেজ' খাবার পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ আমিষ খাবার বেছে নেওয়ার কোনও সুযোগই পাচ্ছেন না যাত্রীরা।
২৩ জানুয়ারি থেকে জনসাধারণের জন্য বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) চাকা ঘুরবে। অনলাইন মাধ্যমে এই ট্রেনের টিকিট যাঁরা কাটছেন, তাঁদের সামনে কেবল নিরামিষ খাবারের তালিকাই থাকছে। আমিষের বিকল্প দেওয়া হচ্ছে না। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। কিছু দিন আগে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বন্দে ভারতের স্লিপার এক্সপ্রেসের মেনু ঘোষণা করেন। দাবি, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের বিশেষ খাবারগুলি দিয়ে এই ট্রেনের মেনু সাজানো হয়েছে। কিন্তু কেন তাতে আমিষ খাবার রাখা হল না, প্রশ্ন উঠেছে। নেপথ্যে রাজনৈতিক কারণও দেখছেন কেউ কেউ।
কী আছে বন্দে ভারত স্লিপারের মেনুতে? রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, হাওড়া থেকে যে ট্রেনটি ছাড়বে, তাতে মূলত বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হবে। তালিকায় থাকছে বাসন্তী পোলাও, ছোলার ডাল বা মুগ ডাল, ঝুরি আলু ভাজা, ছানা বা ধোকার ডালনা, লাবড়া, সন্দেশ, রসগোল্লা। আবার, অসম থেকে হাওড়ার দিকে আসবে যে ট্রেন, তাতে মূলত অসমের খাবার প্রাধান্য পাবে। মেনুতে থাকবে সুগন্ধি জোহা ভাত, মাটি মাহর ডালি, মুসুর ডালি, মরসুমি সবজির ভাজাভুজি এবং নারকেল বরফি। এ ছাড়া, চা-কফি থাকছে। ট্রেন থেকে আলাদা করে খাবার কিনেও খেতে পারবেন যাত্রীরা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, গোটা মেনুতে কোথাও আমিষের কোনও বিকল্প নেই কেন? ঘুরপথে আমজনতার উপর নিরামিষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না তো?
হাওড়া থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে বন্দে ভারত স্লিপার ছাড়বে। কামাখ্যায় তা পৌঁছবে পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে। আবার কামাখ্যা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে। হাওড়ায় পৌঁছবে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে।
