shono
Advertisement

Breaking News

Karnataka

তামিলনাড়ুর পর কর্নাটক, ভাষণ পাঠ না করেই বিধানসভা ছাড়লেন ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল, ‘সংবিধান লঙ্ঘন’, পালটা সিদ্দারামাইয়ার

রাজ্যপাল ভাষণ পাঠ না করে বেরিয়ে যেতেই বিধানসভার ভিতরে হট্টগোল বেধে যায়। রীতিমতো ধাক্কাধাক্কিও হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস বিধায়ক বি কে হরিপ্রসাদ রাজ্যপালকে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 02:58 PM Jan 22, 2026Updated: 02:58 PM Jan 22, 2026

এবার রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত কর্নাটকে। বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণ পাঠ না করেই বিধানসভা ছাড়লেন ক্ষুদ্ধ রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। এরপরই তুমুল হট্টগোল বিধানসভার ভিতরে। গোট ঘটনায় রাজ্যপালের কড়া সমালোচনা করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। থাওয়ারচাঁদের এহেন কার্যকলাপকে তিনি ‘সংবিধান লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করেছেন।

Advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে বিধানসভার অধিবেশনে বক্তৃতা করার কথা ছিল থাওয়ারচাঁদের। নির্ধারিত সময়ে তিনি পৌঁছে যান বিধানসভাতেও। কিন্তু মাত্র দু’লাইনের সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই রাজ্যপাল বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান। কিন্তু কী কারণে ক্ষুব্ধ হন তিনি? জানা গিয়েছে, কংগ্রেস সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণের ১১টি অনুচ্ছেদ নিয়ে আপত্তি জানান রাজ্যপাল। ওই অনুচ্ছেদগুলিতে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)বা সংক্ষেপে জিরামজি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করা হয়েছিল। রাজ্যপালের মতে, ভাষণের এই অংশগুলি রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। এরপরই মাত্র দু’লাইনের ভাষণ দিয়ে বিধানসভা ছাড়েন তিনি। রাজ্যপাল হিন্দিতে বলেন, “আমার সরকার রাজ্যের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতির গতি দ্বিগুণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জয় হিন্দ, জয় কর্নাটক।” 

কংগ্রেস সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণের ১১টি অনুচ্ছেদ নিয়ে আপত্তি জানান রাজ্যপাল। ওই অনুচ্ছেদগুলিতে বিকশিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ)বা সংক্ষেপে জিরামজি আইন নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করা হয়েছিল। রাজ্যপালের মতে, ভাষণের এই অংশগুলি রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট।

রাজ্যপাল ভাষণ পাঠ না করে বেরিয়ে যেতেই বিধানসভার ভিতরে হট্টগোল বেধে যায়। রীতিমতো ধাক্কাধাক্কিও হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, কংগ্রেস বিধায়ক বি কে হরিপ্রসাদ রাজ্যপালকে বাধা দেওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যপালের এহেন কার্যকলাপের কড়া নিন্দা করেছে সে রাজ্যের শাসক দল। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইরা বলেন, “রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের পুতুল হিসাবে কাজ করেছেন। নিজেদের ভুল ঢাকতে মোদি সরকার রাজ্যপালকে তাদের তৈরি করা একটি ভাষণ পাঠ করতে বাধ্য করেছে। রাজ্যপাল সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।”

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইরা বলেন, “রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের পুতুল হিসাবে কাজ করেছেন। নিজেদের ভুল ঢাকতে মোদি সরকার রাজ্যপালকে তাদের তৈরি করা একটি ভাষণ পাঠ করতে বাধ্য করেছে। রাজ্যপাল সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন।”

ভাষণ পাঠ না করেই বিধানসভা ছাড়লেন ক্ষুদ্ধ রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। ছবি: সংগৃহীত।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার একইরকম ঘটনা দেখা যায় তামিলনাড়ু বিধানসভাতেও। বিধানসভার অধিবেশনের প্রথম দিনেই ভাষণ না দিয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল এন রবি। তাঁর অভিযোগ, বিধানসভায় জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করেছে রাজ্যের ডিএমকে সরকার। পাশাপাশি, বক্তৃতার সময় রাজ্যপালের মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এরপরই ফুঁসে ওঠেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন। পালটা দিয়ে তিনি বলেন, "ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যপাল এমন কাজ করেছেন।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement