তিনবছর আগে হাসপাতালের ভিতরেই কর্তব্যরত মহিলা চিকিৎসককে কাঁচি দিয়ে খুন। শিক্ষককে যাবজ্জীবন সাজা দিল আদালত। শনিবার রায় ঘোষণা করেছেন বিচারপতি। ঘটনাটি কেরলের।
সালটা ২০২৩। মে মাসের ১০ তারিখ কেরলের কোল্লাম জেলার একটি হাসপাতালে সদ্য চাকরিতে যোগ দেওয়া চিকিৎসক বন্দনা দাসকে কাঁচি দিয়ে খুন করে জি সন্দীপ। পেশায় শিক্ষক সন্দীপকে হাসপাতালে আহত অবস্থায় নিয়ে আসে পুলিশ। তার পায়ে গভীর ক্ষত ছিল। তার চিকিৎসা করছিলেন বন্দনা। সেই সময় সন্দীপ কাঁচি নিয়ে হামলা চালায়। বন্দনাকে কাঁচি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায় সে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন চিকিৎসক। দ্রুত বন্দনার চিকিৎসা শুরু হলেও কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি।
এই ঘটনার পরই গ্রেপ্তার করা হয় সন্দীপকে। আদালত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। খুন-সহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয় ধৃতের বিরুদ্ধে। তাছাড়াও কেরল স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয় সন্দীপকে।
এই ঘটনার পরই গ্রেপ্তার করা হয় সন্দীপকে। আদালত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। খুন-সহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয় ধৃতের বিরুদ্ধে। তাছাড়াও কেরল স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান আইনেও দোষী সাব্যস্ত করা হয় সন্দীপকে। সম্প্রতি তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শনিবার রায় দেন বিচারক।
তবে এই রায়ে খুব খুশি হতে পারেননি বন্দনার বাবা-মা। তারা দোষীর মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন। বন্দনার বাবা জানিয়েছেন, "রায় পরিবারের জন্য স্বস্তিদায়ক হলেও, মেয়ে ন্যায়বিচার পেয়েছে কি না, তা বলতে পারছি না।"
