বিদেশি গুপ্তচরদের কাছে তথ্যপাচারের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে ৯ জন নাবালককে আটক করল পুলিশ। একই অভিযোগে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ধৃতেরা দেশের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা, রেল স্টেশন এবং বেশ কিছু সংবেদনশীল অঞ্চলের ছবি এবং ভিডিও তুলতেন। এর পরে সেগুলি বিদেশিদের কাছে পাঠাতেন। এর জন্য বিভিন্ন জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ চালিত সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছিলেন অভিযুক্তরা।
গাজিয়াবাদের পুলিশকর্তা রাজ করন নায়ার জানিয়েছেন, অনেক দিন ধরেই সন্দেহভাজনদের উপরে নজরদারি চালানো হচ্ছিল। এর পর গত ১৪ মার্চ কৌশাম্ভী পুলিশ গ্রেপ্তার এবং আটক করে অভিযুক্তদের। প্রথম সুহেল মালিক নামে এক জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এর পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের একে এক পাকড়াও করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের মুজফ্ফরপুরের বাসিন্দা নওশাদ আলি এবং ভাগলপুরের বাসিন্দা সমীর ওরফে ‘শুটার’ হলেন এই তথ্যপাচার চক্রের মাথা। উভয়েই বর্তমানে পলাতক।
নায়ার জানিয়েছেন, দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকা এবং সোনিপত রেল স্টেশনের কাছে এমন কিছু সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। অভিযোগ, সেই ক্যামেরার ফিড পাঠানো হত বিদেশি হ্যান্ডলারদের। ৫০০-১৫,০০০ টাকা 'পারিশ্রমিক' এই কাজ করত প্রাপ্ত বয়স্ক এবং নাবালকরা। একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। অতি সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চালাতে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
