তোলাবাজির টাকা দিতে অস্বীকার করায় কর্মীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ। ছুরি দেখিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের তিরুভাল্লা এলাকায়। ঘটনায় ইতিমধ্যে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি চারজনের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। ধৃত দুজনকে জেরা করে বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে তোলাবাজির টাকা না দেওয়ার কারণেই এই ঘটনা কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ধৃত দুজনের নাম সুবিন আলেকজ়ান্ডার ওরফে মারানা সুবিন (২৯) এবং বার্লিন দাস (৩৮)। পুলিশ সূত্রে খবর, তিরুভাল্লা এলাকায় ওই স্পা সেন্টার। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই স্পা সেন্টারের মালিকের কাছ থেকে তোলাবাজির টাকা দাবি করে আসছিল ধৃত সুবিন এবং তাঁর দলবল। কিন্তু ওই স্পা মালিক তা দিতে বারবার অস্বীকার করেন। ফলে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়তে থাকে। ওই স্পা মালিকের অভিযোগ, গত ১ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত তাঁর দলবল নিয়ে দোকানে চলে আসেন। প্রায় ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু তা দিতে ফের অস্বীকার করেন ওই স্পা মালিক। যা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বেশ কিছুটা বচসা হয় বলে অভিযোগ।
টাকা না পেয়ে এরপরেই ওই দোকানের এক কর্মীকে সুবিন আলেকজ়ান্ডার ওরফে মারানা সুবিন এবং তাঁর দলবল তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। স্পা-এর একটি ঘরেই ভয়াবহ এই ঘটনার শিকার হন ওই তরুণী। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মোবাইলে পুরো ঘটনা রেকর্ড করে। এখানেই শেষ নয়, দোকানে আসা গ্রাহকদেরও অভিযুক্তরা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এমনকী দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পরেই অভিযুক্ত ছয়জনের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেপ্তার হলেও বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ধৃত সুবিন আলেকজ়ান্ডারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এমনকী দীর্ঘদিন জেলেও ছিলেন। কিছুদিন আগেই জামিন পেয়েই বাইরে আসেন অভিযুক্ত সুবিন। এরপরেই ফের অপরাধের জগতে! যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
