shono
Advertisement
PM Modi

কলকাতা থেকে দিল্লি ফিরে বিমানবন্দরে ৪৫ মিনিট দাঁড়িয়ে মোদি, নেপথ্য কারণ নিট পরীক্ষার্থীরা!

দুপুর ১টা ১৫ নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছয় প্রধানমন্ত্রীর বিমান। এরপর দুপুর ২টো পর্যন্ত বিমানবন্দরেই বসে থাকেন তিনি। খোদ প্রধানমন্ত্রী এভাবে অপেক্ষা করার ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে জল্পনা শুরু হয়।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:22 PM Jun 21, 2026Updated: 07:09 PM Jun 21, 2026

কলকাতা থেকে দিল্লি ফেরার পর বিমানবন্দরে ৪৫ মিনিট ধরে অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দুপুর ১টা ১৫ নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছয় প্রধানমন্ত্রীর বিমান। এরপর দুপুর ২টো পর্যন্ত বিমানবন্দরেই বসে থাকেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে জল্পনা শুরু হতেই জানা গেল, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলের গেরোয় নিট-ইউজি পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় সে কথা মাথায় রেখেই বিমানবন্দরের বাইরে বের হননি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ২টো নাগাদ পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে কনভয় নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

Advertisement

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রবিবার বাংলায় যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষ করে দুপুর ১টা নাগাদ দিল্লিতে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীর বিমান। সেখান থেকে নিজের বাসভবনে যাওয়ার কথা ছিল মোদির। এদিকে নিটের পুনঃপরীক্ষার জন্য তখন রাস্তায় হাজার হাজার পরীক্ষার্থীর ভিড়। নিজেদের পরীক্ষাকেন্দ্রের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন পড়ুয়ারা। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী যদি রওনা হন সেক্ষেত্রে প্রোটকল অনুযায়ী যান নিয়ন্ত্রণ করতে হত দিল্লির।

২টো নাগাদ নিট পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী রওনা হন নিজের বাসভবনের উদ্দেশে।

গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে যান চলাচলে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চালু হলে বিপুল সমস্যার মুখে পড়তেন পড়ুয়ারা। সমস্ত দিক বিবেচনা করে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে এই অবস্থায় বাসভবনের উদ্দেশে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মোদি। বিমানবন্দরেই ৪৫ মিনিট ধরে অপেক্ষা করেন তিনি। জানা গিয়েছে, ২টো নাগাদ নিট পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী রওনা হন নিজের বাসভবনের উদ্দেশে।

উল্লেখ্য, প্রশ্নফাঁসের জেরে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর রবিবার দেশজুড়ে শুরু হয়েছে নিটের পুনঃপরীক্ষা। ভারতে ৫,৪৪০টি কেন্দ্র এবং বিদেশে ১৪টি কেন্দ্রে ২২ লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন এই পরীক্ষায়। ১.৩৮ লক্ষ সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে ৯৫,০০০-এরও বেশি পরীক্ষাকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে। ইলেকট্রনিক গ্যাজেটের মাধ্যমে নকল ঠেকাতে ৫১,০০০-এরও বেশি সিগন্যাল জ্যামার বসানো হয়েছে। পাশাপাশি ৬,৭০০ জন পর্যবেক্ষক, ১০০ জনেরও বেশি ভার্চুয়াল মনিটর, প্রায় ৩৯ হাজার তল্লাশি কর্মী, ৪৮ হাজারের বেশি বায়োমেট্রিক যাচাই কর্মী এবং সিস্টেম অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement